শাহজাদপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ২ সন্তানের জননীর

শাহজাদপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ২ সন্তানের জননীর অনশন
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবেদন: শামীম হোসাইন / শাহজাদপুর / দিগন্ত বাংলা নিউজ

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলায় পরকীয়া প্রেমের টানে স্বামী ও দুই সন্তান ফেলে রেখে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বসতবাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন এক গৃহবধূ। পৌর এলাকার পারকোলা গ্রামে ঘটে যাওয়া এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় দারুণ কৌতূহল ও তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। প্রেমিক আশরাফুলের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে টানা দুই দিন ধরে অনশনে বসে রয়েছেন একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের কন্যা ও দুই সন্তানের জননী আঁখি খাতুন।

আরও পড়ুন: পোরজনায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইদুল ইসলাম আব্দুলের ব্যাপক গণসংযোগ

অনুসন্ধান ও সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, বছর কয়েক পূর্বে শাহজাদপুর পৌরসভার দারিয়াপুর এলাকায় আঁখি খাতুনের আনুষ্ঠানিকভাবে পারিবারিক বিবাহ সম্পন্ন হয়। দাম্পত্য জীবনে তাঁর দুটি কোল আলো করা সন্তানও রয়েছে। তবে গত এক বছর ধরে প্রতিবেশী বিবাহিত যুবকের সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সম্পর্কের এক পর্যায়ে দুজনের গভীরতা বৃদ্ধি পেলে সংসার ও সন্তানদের মায়া ত্যাগ করে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে ওঠার পথ বেছে নেন এই তরুণী।

আরও পড়ুন: পাকুন্দিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, ১০ দফা বাস্তবায়নের আকুল আহ্বান

অনশনরত গৃহবধূ আঁখি খাতুন এ ঘটনার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বলেন:

  • প্রেমের সুদীর্ঘ ঘনিষ্ঠতা: প্রতিবেশী আশরাফুলের সঙ্গে তাঁর প্রায় এক বছরের প্রেম ও মনস্তাত্ত্বিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিরাজ করছিল।
  • অঙ্গীকার ও বিয়ের দাবি: সম্পর্কের সূচনালগ্ন থেকেই আশরাফুল তাঁকে ঘর বাঁধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যার প্রেক্ষিতে তিনি নিজের চলমান সংসার ও সন্তানদের ছেড়ে চলে এসেছেন।
  • অনড় সিদ্ধান্ত: আঁখি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, আশরাফুল তাঁকে স্ত্রীর মর্যাদায় ঘরে না তোলা পর্যন্ত তিনি কোনো অবস্থাতেই এই বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবেন না এবং অনশন চালিয়ে যাবেন।

এদিকে গৃহবধূর এমন অনড় অবস্থানে অস্বস্তিতে পড়েছে প্রেমিক আশরাফুলের পরিবার। এই ঘটনায় শাহজাদপুরের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে মুখরোচক আলোচনা ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মাতব্বর ও সচেতন মহল বিষয়টি নিয়ে একটি সামাজিকভাবে সুরাহার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র: অনশনরত ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী।

Post a Comment

আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

নবীনতর পূর্বতন