প্রতিবেদন: শামীম হোসাইন / শাহজাদপুর / দিগন্ত বাংলা নিউজ
দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরও সুসংহত এবং আধুনিকায়নের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এক স্মরণীয় মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকার আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের নবনির্মিত এবং সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক ভবনের ফলক উন্মোচন ও শুভ উদ্বোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৫ আগস্ট ২০২৬) প্রাতঃকালে অত্যন্ত বর্ণাঢ্য ও গম্ভীর আয়োজনের মধ্য দিয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে এই নবনির্মিত আন্তর্জাতিক মানের ভবনের শুভ সূচনা ঘোষণা করা হয়। এই বিশেষ মহতী শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিশিষ্ট সহধর্মিণী ও প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান অনন্য অতিথি হিসেবে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: এশিয়ান পুলিশ স্পোর্টস কাউন্সিলের উপদেষ্টা মনোনীত ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন
উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতার তাৎক্ষণিক সমাপ্তি ঘটিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সাথে নিয়ে নবনির্মিত বিশাল ভবনের আধুনিক চিকিৎসাসেবা সম্বলিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সজ্জিত জটিল অপারেশন থিয়েটার কমপ্লেক্স এবং মুমূর্ষু রোগীদের সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য নিবেদিত ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) সরজমিনে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাধারণ রোগীদের খোঁজখবর গ্রহণ করার পাশাপাশি আগত সেবাগ্রহীতাদের জন্য বিদ্যমান প্রশাসনিক ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধার মান এবং সার্বিক পরিবেশের সুনির্দিষ্ট তথ্য বিষয়ে আন্তরিক অনুসন্ধানী আলোচনা করেন।
পরবর্তী ধাপে ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে চিকিৎসা কর্মকর্তা, নিবেদিত নার্স এবং সার্বিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে আয়োজিত এক তাৎপর্যপূর্ণ সভায় ভাষণ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মূল্যবান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রদেয় সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার জোর গুরুত্ব ব্যক্ত করেন। নতুন যোগ হওয়া বিশাল অবকাঠামো ও ৫০০ শয্যার বিশেষায়িত সুবিধা যুক্ত হওয়ার ফলে স্নায়ুরোগ, ব্রেন স্ট্রোক ও নিউরো সংক্রান্ত যাবতীয় জটিল ও দুঃসাধ্য রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদানে ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং পরিধি আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।