তাড়াশে ৬০টি পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ, নিরাপদ পানির উদ্যোগ

তাড়াশে ৬০টি পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ, নিরাপদ পানির উদ্যোগ
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবেদন: শামীম হোসাইন / শাহজাদপুর / দিগন্ত বাংলা নিউজ

তাড়াশে ৬০টি পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ, নিরাপদ পানির উদ্যোগ

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলায় গ্রামীণ ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বিশুদ্ধ সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এক বিশেষ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলাটির অবহেলিত পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সর্বমোট ৬০টি নলকূপ বা টিউবওয়েল শুভ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার পৌষার আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই নলকূপ হস্তান্তর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

মানবিক সংগঠন দোস্ত এইড বাংলাদেশ-এর সৌজন্যে ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্পে সভাপতিত্ব করেন তাড়াশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান। তিনি তাঁর বক্তব্যে জানান যে, প্রান্তিক অঞ্চলে বিশেষ করে আদিবাসী ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দূরীকরণে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখবে। প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ পানীয় জলের নিশ্চয়তা বিধান অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: হেজবুত তাওহিদ নিষিদ্ধের দাবি: মাইজদীর মহাসম্মেলন সফলতার আশাবাদ

অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোস্ত এইডের প্রোজেক্ট ম্যানেজার আবুল কায়েস এবং তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কর্মসূচিতে অংশ নেন। বক্তারা এই ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

আয়োজক সংস্থা সূত্রে সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, কেবল নলকূপ প্রদান করেই এই প্রজেক্টের দায়িত্ব শেষ হবে না। প্রতিটি টিউবওয়েল নির্ধারিত সুবিধাভোগীর জায়গায় আনুষ্ঠানিকভাবে বোরিং করে স্থাপন করে দেওয়া হবে। একই সাথে স্থায়ী ব্যবহারের সুবিধার্থে সুদৃশ্য ও টেকসই কংক্রিটের পাকা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ পানির সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে ছাত্রদলের সংহতি ও পানির বোতল বিতরণ

স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর পরিবারগুলো বিশুদ্ধ পানির এই বিশেষ সুবিধা পেয়ে সন্তোষ ও আনন্দ প্রকাশ করেছে। আর্সেনিকমুক্ত ও নিরাপদ পানীয় জল প্রাপ্তির মাধ্যমে এলাকায় পানিবাহিত নানাবিধ শারীরিক রোগের প্রাদুর্ভাব অনেকাংশে হ্রাস পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহল।

সূত্র: উপজেলা প্রশাসন ও তাড়াশ প্রতিনিধি, দিগন্ত বাংলা নিউজ।

Post a Comment

আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

নবীনতর পূর্বতন