১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে র‍্যাবের জোরদার নিরাপত্তা, সারাদেশে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিতে বিশেষ নির্দেশনা

১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে র‍্যাবের জোরদার নিরাপত্তা, সারাদেশে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিতে বিশেষ নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবেদন: শামীম হোসাইন / শাহজাদপুর / দিগন্ত বাংলা নিউজ

আসন্ন ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখা, সম্ভাব্য সব ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিরসন এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে দেশব্যাপী অভূতপূর্ব প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এই দিনটিকে ঘিরে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলিট ফোর্স র‍্যাব সাতক্ষীরা অঞ্চলসহ পুরো বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন, উগ্রপন্থী দল, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের তথ্য ভাণ্ডার পর্যালোচনা ও সুনির্দিষ্ট ডাটা সংগ্রহ জোরদার করেছে। যেকোনো ধরনের দুষ্কৃতকারী যাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি সর্বোচ্চ মাত্রায় উন্নীত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট ২০২৬) র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হয়।

আরও পড়ুন: কৃত্রিম নিউরনের সংকেতে সাড়া দিল জীবন্ত মস্তিষ্ক, প্রমার্জিত হচ্ছে ব্রেন-মেশিন প্রযুক্তি

প্রতিনিধিদের কাছে প্রেরিত উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সার্বজনীন জননিরাপত্তা বিধান এবং যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সফলভাবে দমনে র‍্যাব সর্বদা পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত নিয়মিত টহল, বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনা এবং প্রতিরোধমূলক তৎপরতার মধ্য দিয়ে অপরাধীদের আইনি আওতায় আনয়নে এই সংস্থা নিরবচ্ছিন্নভাবে তৎপর রয়েছে। সংবেদনশীল এই সময়টিতে যেন কোনো চক্রান্তকারী গোষ্ঠী সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে, সেজন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

আরও পড়ুন: টঙ্গীর হাজী মাজার বস্তিতে ডিবির বিশাল অভিযান: বিপুল হেরোইন, নগদ টাকা ও অস্ত্র জব্দ

র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আরও জোর দিয়ে নিশ্চিত করা হয় যে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে দেশের প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ঝুঁকির মাত্রা নিখুঁতভাবে মূল্যায়ন করেছে। সম্ভাব্য প্রতিটি নিরাপত্তা হুমকি নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করে আলাদা নিরাপত্তা নকশা ও রণকৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত সবকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গোয়েন্দা শাখা এবং র্যাবের এলিট দল সার্বক্ষণিক প্রহরার দায়িত্ব পালন করছে। সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠন কিংবা উগ্রবাদী দুষ্কৃতকারী যেন কোনোভাবেই নাশকতা পরিচালনা করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক আইনি ও কৌশলগত ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে।

সূত্র: র‍্যাব সদর দপ্তর (আইন ও গণমাধ্যম শাখা)।

Post a Comment

আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

নবীনতর পূর্বতন