খেলাধুলা ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ
আর্জেন্টিনার ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙলেন মেসি: ফুটবল জাদুকরের নতুন ইতিহাস
বয়সটা কেবলই একটা সংখ্যা মাত্র—ফুটবল মাঠের সবুজ ঘাসে দাঁড়িয়ে এই প্রবাদটিকে বারবার সত্য প্রমাণ করে চলেছেন আধুনিক ফুটবলের মহাজাদুকর লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। বয়স যখন ৩৯-এর কোঠায় ছুঁইছুঁই, ক্যারিয়ারের সব বড় বড় ট্রফি যখন শোকেসে ভরা, তখনও মাঠে নামলেই রেকর্ড বইয়ের পাতা ওলটপালট করে দিচ্ছেন এই মহাতারকা। ফুটবল বিধাতা যেন তাকে পাঠিয়েছেনই ইতিহাস নতুন করে লেখার জন্য। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনায় আরও একটি অবিশ্বাস্য এবং অনন্য কীর্তি নিজের করে নিলেন তিনি।
এবার আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের দীর্ঘ প্রায় সাত দশকের (৬৮ বছর) পুরনো এক ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে নিজের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করলেন এই আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক। ৩৮ বছর ১১ মাস ১৮ দিন বয়সে আন্তর্জাতিক ম্যাচে গোল করে আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতার অনন্য রেকর্ডটি এখন নিজের পকেটে পুরেছেন লিওনেল মেসি। দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে অক্ষুণ্ন থাকা কিংবদন্তি ফুটবলার অ্যাঞ্জেল লাব্রুনার রেকর্ডটি ভেঙে ফুটবল দুনিয়ায় এক নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন এলএমটেন।
আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয়
আজ বুধবার (১০ জুন, ২০২৬) সকালে এক আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ইউরোপের দল আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আমেরিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে আইসল্যান্ডকে কোনো সুযোগই দেয়নি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। পুরো ম্যাচ জুড়ে বল দখল এবং আক্রমণের আধিপত্য বজায় রেখে ৩-০ গোলের এক দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে আকাশী-নীল শিবির।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের আসল রোমাঞ্চ এবং ঐতিহাসিক মুহূর্তটি অপেক্ষা করছিল দ্বিতীয়ার্ধের জন্য। আর সেই রোমাঞ্চের মহানায়ক আর কেউ নন, স্বয়ং লিওনেল মেসি। দলের হয়ে ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি করার মাধ্যমেই মেসি আর্জেন্টিনার ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় ও দীর্ঘস্থায়ী এক রেকর্ডের পাতায় নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়ে নেন।
বেঞ্চ থেকে মাঠে নেমেই ৫৩ সেকেন্ডের জাদু
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১৯৯তম ম্যাচ খেলতে নামা লিওনেল মেসিকে নিয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনি হয়তো কিছুটা ভিন্ন পরিকল্পনা করেছিলেন। আর সে কারণেই ম্যাচের শুরুর একাদশে (Starting XI) রাখা হয়নি এই মহাতারকাকে। তবে মেসি যখনই মাঠে নামেন, মাঠের আবহাওয়া যে পুরোপুরি বদলে যায়, তা আবারও প্রমাণিত হলো।
আরও পড়ুন: স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করলেন জামাতা
ম্যাচের প্রথমার্ধ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ করার পর, দ্বিতীয় বাগে ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় (Substitute) হিসেবে মাঠে প্রবেশ করেন লিওনেল মেসি। তিনি যখন ডাগআউট থেকে সাইডলাইন পেরিয়ে মাঠে পা রাখেন, তখন পুরো গ্যালারিতে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শক দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে তাকে অভিবাদন জানান। গ্যালারিতে তখন শুধুই ‘মেসি, মেসি’ রব।
মাঠে নামার পর নিজের পায়ে প্রথম বলটি ছোঁয়াতেই জাদু দেখান এলএমটেন। মাঠে নামার ঠিক ৫৩ সেকেন্ডের মাথায় নিজের চেনা ফুটবল শৈলী ও দূরদর্শিতার প্রমাণ দেন তিনি। মাঝমাঠ থেকে তাঁর বাড়িয়ে দেওয়া এক চমৎকার এবং নিখুঁত থ্রু বল (Through Ball) ধরে আইসল্যান্ডের ডি-বক্সে শট নিতে গিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার তরুণ স্ট্রাইকার লাউতারো মার্টিনেজ। কিন্তু লাউতারোকে থামাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার বক্সে ফাউল করে বসেন। রেফারি কোনো দ্বিধা ছাড়াই পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
স্পট কিক থেকে নিখুঁত গোল এবং ঐতিহাসিক মুহূর্ত
ম্যাচের ৭২তম মিনিটে পেনাল্টি কিক নিতে বল হাতে এগিয়ে আসেন স্বয়ং অধিনায়ক লিওনেল মেসি। গ্যালারিজুড়ে তখন পিনপতন নীরবতা। রেফারি বাঁশি বাজানোর পর অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায়, চিরচেনা ও নিখুঁত এক বাম পায়ের শটে আইসল্যান্ডের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান মেসি। এই গোলের সাথে সাথেই স্টেডিয়ামের গ্যালারি উল্লাসে ফেটে পড়ে এবং আর্জেন্টিনা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
আইসল্যান্ডের বিপক্ষে করা এই ঐতিহাসিক গোলটি ছিল আর্জেন্টিনার আকাশী-নীল জার্সিতে লিওনেল মেসির ১১৭তম আন্তর্জাতিক গোল। আর এই গোলটি করার মাহেন্দ্রক্ষণেই তিনি ভেঙে ফেলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম কিংবদন্তি ফুটবলার অ্যাঞ্জেল লাব্রুনার ৬৮ বছরের পুরনো সেই প্রাচীন রেকর্ড।
ভেঙে গেল কিংবদন্তি অ্যাঞ্জেল লাব্রুনার ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ড
লিওনেল মেসির এই গোলের আগে আর্জেন্টিনার আন্তর্জাতিক ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার রেকর্ডটি ছিল দেশটির অন্যতম সেরা ফুটবলার অ্যাঞ্জেল লাব্রুনার (Ángel Labruna) দখলে। ১৯৫৭ সালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের বিপক্ষে যখন লাব্রুনা গোল করেছিলেন, তখন তার বয়স ছিল ৩৮ বছর ৯ মাস ১০ দিন।
দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে আর্জেন্টিনার ফুটবলে এই রেকর্ডটি কেউ স্পর্শ করতে পারেনি। ডিয়েগো ম্যারাডোনা থেকে শুরু করে গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা, হার্নান ক্রেসপো কিংবা গঞ্জালো হিগুয়েনের মতো বিশ্বমানের স্ট্রাইকাররা এসেছেন, কিন্তু লাব্রুনার এই অনন্য কীর্তি ভাঙা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ২০২৬ সালের ১০ জুন এসে লিওনেল মেসি ৩৮ বছর ১১ মাস ১৮ দিন বয়সে গোল করে সেই দীর্ঘস্থায়ী রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন। লাব্রুনার চেয়ে প্রায় ২ মাস বেশি বয়সে গোল করে মেসি এখন আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতা।
আর্জেন্টিনা দলের বয়স্ক গোলদাতাদের তালিকা ও তুলনা:
| খেলোয়াড়ের নাম | গোল করার সময় বয়স | প্রতিপক্ষ দল | অর্জিত সাল |
| লিওনেল মেসি | ৩৮ বছর ১১ মাস ১৮ দিন | আইসল্যান্ড | ২০২৬ |
| অ্যাঞ্জেল লাব্রুনা | ৩৮ বছর ৯ মাস ১০ দিন | ব্রাজিল | ১৯৫৭ |
| মার্টিন পালের্মো | ৩৬ বছর ৭ মাস ১১ দিন | গ্রিস | ২০১০ |
| ডিয়েগো ম্যারাডোনা | ৩৩ বছর ৭ মাস ২৫ দিন | গ্রিস | ১৯৯৪ |
লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের কিছু অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান
লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবলে যেভাবে একের পর এক রেকর্ড নিজের নামে করে নিচ্ছেন, তা সত্যিই রূপকথার মতো। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি ছিল আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ১৯৯তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আর মাত্র একটি ম্যাচ খেললেই তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচ খেলার এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করবেন।
বর্তমান আন্তর্জাতিক ফুটবলে মেসির গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৭টিতে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তিনি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পরেই অবস্থান করছেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সাধারণত ফুটবলারদের ধার কমে যায়, কিন্তু মেসির ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ উল্টো। বয়স যত বাড়ছে, মাঠে তার খেলার পরিপক্বতা এবং গোল করার ক্ষুধা যেন ততটাই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের এক নজরে পরিসংখ্যান:
মোট ম্যাচ: ১৯৯টি
মোট গোল: ১১৭টি
মোট অ্যাসিস্ট: ৫৮টি
আন্তর্জাতিক ট্রফি: ১টি ফিফা বিশ্বকাপ (২০২২), ২টি কোপা আমেরিকা (২০২১, ২০২৪), ১টি ফিনালিসিমা (২০২২)।
ফুটবল বোদ্ধাদের চোখে মেসির এই অনন্য কীর্তি
মেসির এই অনন্য রেকর্ড গড়ার পর ফুটবল বিশ্বে প্রশংসার ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন ফুটবল বিশ্লেষক ও প্রাক্তন ফুটবলাররা মেসির এই দীর্ঘায়ু এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।
"লিওনেল মেসি এমন একজন ফুটবলার যিনি প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে নামেন। ৩৮ বছর বয়সে এসে আন্তর্জাতিক ফুটবলে এমন গতি, ড্রিবলিং এবং নিখুঁত পাসিং ধরে রাখা অবিশ্বাস্য। তিনি আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সম্পদ এবং লাব্রুনার ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙা প্রমাণ করে যে তিনি যুগের পর যুগ ধরে সেরা।"
— একজন প্রখ্যাত ফুটবল বিশ্লেষক।
আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "লিও আমাদের জন্য সবসময়ই বিশেষ কিছু। সে যখন মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত হয়, তখনই দলের বাকি খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস দ্বিগুণ হয়ে যায়। আজ সে মাঠে নেমে মাত্র ৫৩ সেকেন্ডের মধ্যে পেনাল্টি আদায় করার পরিস্থিতি তৈরি করেছে এবং গোল করেছে। তার এই রেকর্ডটি প্রাপ্য ছিল। সে যতদিন উপভোগ করবে, ততদিন আর্জেন্টিনার হয়ে খেলবে।"
২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এবং মেসির ভবিষ্যৎ
আর্জেন্টিনা দল বর্তমানে যে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে, আইসল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি তারই প্রমাণ। দলটির মূল লক্ষ্য ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের শিরোপা ধরে রাখা। আর সেই অভিযানের মূল কাণ্ডারি যে লিওনেল মেসি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ফুটবল ভক্তদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—লিওনেল মেসি কি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে খেলবেন?
মেসি নিজেই বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চান। যদি তার শরীর সাথ দেয় এবং তিনি খেলাটি উপভোগ করেন, তবে তিনি মাঠে থাকবেন। তবে আজকের ম্যাচে তার ফিটনেস এবং পারফরম্যান্স দেখে এটা স্পষ্ট যে, ৩৯ বছর বয়সেও তিনি বিশ্বের যেকোনো রক্ষণভাগকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
অতিরিক্ত তথ্য: ফুটবলে বয়স্ক গোলদাতাদের বৈশ্বিক রেকর্ড
আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার বিশ্ব রেকর্ডটি অবশ্য এখনো মেসির চেয়ে বেশ দূরে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার রেকর্ডটি রয়েছে রজার মিলার (Roger Milla) দখলে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে রাশিয়ার বিপক্ষে ৪২ বছর ৩৯ দিন বয়সে গোল করে এই রেকর্ড গড়েছিলেন ক্যামেরুনের এই কিংবদন্তি স্ট্রাইকার।
তবে লাতিন আমেরিকার ফুটবলের পাওয়ারহাউজ আর্জেন্টিনার মতো বিশ্বমানের দলে যেখানে তরুণ প্রতিভার অভাব নেই, সেখানে ৩৮ বছর ১১ মাস বয়সে এসে মূল দলে জায়গা ধরে রাখা এবং গোল করে ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙা নিঃসন্দেহে মেসির ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা একটি অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে।
উপসংহার: কেন লিওনেল মেসি অনন্য ও সর্বকালের সেরা?
লিওনেল মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি কোটি কোটি মানুষের আবেগ ও অনুপ্রেরণার উৎস। বার্সেলোনা থেকে শুরু করে পিএসজি, ইন্টার মায়ামি কিংবা আর্জেন্টিনার আকাশী-নীল জার্সি—যেখানেই তিনি গিয়েছেন, সেখানেই সোনা ফলিয়েছেন। ফুটবল মাঠে তার পায়ের জাদু দেখতে মানুষ রাতের পর রাত জেগে থাকে।
আজকের এই ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙার ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, লিওনেল মেসি কোনো নির্দিষ্ট যুগের জন্য নন, তিনি সর্বকালের সব যুগের সেরা (G.O.A.T - Greatest Of All Time)। বয়স ৩৯ ছুঁইছুঁই হলেও তার পায়ের জাদু এখনো অমলিন। ফুটবল ভক্তদের প্রত্যাশা, লিওনেল মেসি এভাবেই আরও অনেক রেকর্ড নিজের নামে করবেন এবং বিশ্ব ফুটবলকে আরও সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত উপহার দেবেন। দিগন্ত বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির জন্য রইলো নিরন্তর শুভকামনা।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।