ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ রাসায়নিক বিস্ফোরণের শঙ্কা: ৪০ হাজার মানুষের জরুরি স্থানান্তর

ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ রাসায়নিক বিস্ফোরণের শঙ্কা: ৪০ হাজার মানুষের জরুরি স্থানান্তর

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ শিল্প বিপর্যয়ের কালো ছায়া: ক্যালিফোর্নিয়ায় রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণের চরম শঙ্কা, ৪০ হাজার বাসিন্দাকে জরুরি স্থানান্তরের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ

​বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের অরেঞ্জ কাউন্টিতে এক ভয়াবহ ও নজিরবিহীন শিল্প বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অঞ্চলের একটি নামকরা অ্যারোস্পেস কারখানায় অত্যন্ত দাহ্য ও বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ ভর্তি একটি বিশাল সংরক্ষণ ট্যাংক (Storage Tank) যেকোনো মুহূর্তে ফেটে যাওয়ার অথবা বিধ্বংসী বিস্ফোরণ ঘটার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাব্য বিপর্যয় থেকে নাগরিকদের জীবন রক্ষা করতে স্থানীয় প্রশাসন জরুরি অবস্থা জারি করে অরেঞ্জ কাউন্টির প্রায় ৪০ হাজার বাসিন্দাকে অনতিবিলম্বে তাদের ঘরবাড়ি ও এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে।

​প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, যদি এই ট্যাংকের বিস্ফোরণ রোধ করা না যায়, তবে তা কেবল একটি কারখানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আশেপাশের বিস্তীর্ণ জনপদ এবং অন্যান্য শিল্পাঞ্চলেও এর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে। এই ঘটনার পর পুরো ক্যালিফোর্নিয়া জুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষায়িত বিপজ্জনক রাসায়নিক মোকাবিলা দল (Hazmat Team) এবং ফায়ার ফাইটাররা জীবন বাজি রেখে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।

​সংকটের সূত্রপাত ও জিকেএন অ্যারোস্পেস কারখানার ঘটনাপ্রবাহ

​মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এই ভয়াবহ সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত গার্ডেন গ্রোভ (Garden Grove) শহরের শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত 'জিকেএন অ্যারোস্পেস' (GKN Aerospace)-এর একটি উৎপাদন কারখানায়।

[বৃহস্পতিবার, ২১ মে: জিকেএন কারখানায় দাহ্য গ্যাসের লিক শনাক্ত]

                           │

                           ▼

[শুক্রবার সকালে: ভালভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে]

                           │

                           ▼

[শুক্রবার রাত: ৬টি শহরের ৪০,০০০ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানোর নির্দেশ]

কারখানার একটি বিশাল সংরক্ষণ ট্যাংকের ভেতরে রাখা রেজিন ও প্লাস্টিক তৈরির অন্যতম প্রধান উপাদান মিথাইল মেথাক্রাইলেট (Methyl Methacrylate) নামের অত্যন্ত দাহ্য ও বিষাক্ত রাসায়নিক থেকে হঠাৎ করেই গ্যাস নির্গমন বা লিক হতে শুরু করে।

​প্রাথমিক পর্যায়ে গ্যাস লিকের খবর পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষায়িত 'হ্যাজম্যাট' (Hazardous Materials - Hazmat) দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কারখানার আশেপাশের স্থানীয় বাসিন্দাদের সাময়িকভাবে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। কয়েক ঘণ্টার আপ্রাণ চেষ্টায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে মনে হলে প্রথম দফার সেই সতর্কবার্তা বা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নিয়তির পরিহাসে, শুক্রবার (২২ মে) ভোরের দিকে ওই রাসায়নিক ট্যাংকের একটি প্রধান নিয়ন্ত্রণ ভালভ (Valve) ভেতরের অতিরিক্ত চাপের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে পুরো পরিস্থিতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং ঝুঁকি কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন: ধর্ষণের শাস্তি প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড চায় জামায়াত: বায়তুল মোকাররমে বিশাল বিক্ষোভ

ধর্ষণের শাস্তি প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড চায় জামায়াত: বায়তুল মোকাররমে বিশাল বিক্ষোভ

​ঝুঁকির তীব্রতা বৃদ্ধি: ৬টি শহরের জন্য রেড অ্যালার্ট জারি

​ট্যাংকের ভালভটি ভেঙে যাওয়ার পর শুক্রবার দুপুরের মধ্যে গার্ডেন গ্রোভ প্রশাসন পরিস্থিতিকে 'চরম ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টির অধীনে থাকা অন্তত ৬টি ছোট-বড় শহরের বাসিন্দাদের জীবন রক্ষার্থে নতুন করে এবং আরও বড় পরিসরে বাধ্যতামূলকভাবে এলাকা খালি করার (Mandatory Evacuation) নির্দেশ জারি করা হয়।

​অরেঞ্জ কাউন্টি ফায়ার অথরিটির (OCFA) বিভাগীয় প্রধান ক্রেইগ কোভি এক জরুরি ও রুদ্ধদ্বার সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব গণমাধ্যমকে অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে জানান:

​"আমরা বর্তমানে এমন একটি দানবীয় রাসায়নিক ট্যাংকের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি, যা সরাসরি একটি গভীর কাঠামোগত ও রাসায়নিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। এর ভেতরের তাপমাত্রা প্রতি মিনিটে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে।"

​ফায়ার সার্ভিসের গাণিতিক সমীকরণ: কী ঘটতে পারে এই ট্যাংকে?

​রসায়নবিদ এবং ফায়ার ব্রিগেডের শীর্ষ টেকনিক্যাল কর্মকর্তারা ল্যাবরেটরি ডাটা বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন যে, বর্তমানে এই সংকটের সামনে মূলত দুটি অত্যন্ত বিপজ্জনক সম্ভাবনা বা মোড় রয়েছে:

​সম্ভাবনা ১: ট্যাংক ফেটে যাওয়া (Tank Rupture)

​প্রথম সম্ভাবনা হলো, ট্যাংকের ভেতরের উচ্চ চাপের কারণে দেয়াল ধসে বা ফেটে গিয়ে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার গ্যালন ফুটন্ত ও বিপজ্জনক তরল রাসায়নিক আশপাশের মাটিতে এবং ড্রেনেজ লাইনে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এটি ঘটলে ক্যালিফোর্নিয়ার ভূগর্ভস্থ পানি ও পরিবেশ মারাত্মক দূষণের মুখে পড়বে।

​সম্ভাবনা ২: বিধ্বংসী বিস্ফোরণ (Explosion)

​দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে আশঙ্কাজনক সম্ভাবনা হলো, মিথাইল মেথাক্রাইলেটের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে ট্যাংকের ভেতরের তাপমাত্রা যদি একটি নির্দিষ্ট সীমা পার হয়ে যায়, তবে এটি একটি বিশাল বোমার মতো বিস্ফোরিত হবে। এই বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি হবে যে, তা পাশের অন্যান্য জ্বালানি শোধনাগার এবং রাসায়নিক ট্যাংকেও চেইন রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে আগুন ধরিয়ে দেবে। যার ফলে পুরো অরেঞ্জ কাউন্টি এক জ্বলন্ত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে পারে।

​মিথাইল মেথাক্রাইলেট রাসায়নিকের ভয়াবহতা ও মানবদেহে এর ক্ষতিকর প্রভাব

​যুক্তরাষ্ট্রের এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সি (EPA)-এর গাইডলাইন অনুযায়ী, মিথাইল মেথাক্রাইলেট (MMA) কোনো সাধারণ তরল নয়। এটি মূলত এক ধরনের বর্ণহীন, তীব্র গন্ধযুক্ত এবং অত্যন্ত উদ্বায়ী জৈব যৌগ, যা এক্রাইলিক প্লাস্টিক, রেজিন এবং বিভিন্ন ধরনের আধুনিক বিমানের যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাতাসের সংস্পর্শে এলে এটি অত্যন্ত দ্রুত আগুন ধরে যায় এবং এর ধোঁয়া মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।


মানবদেহের অঙ্গ স্বল্পমেয়াদী প্রভাব (Short-term) দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব (Long-term)

  • চোখ ও ত্বক তীব্র জ্বালাপোড়া এবং কেমিক্যাল বার্ন বা ফোস্কা পড়া। ত্বকে স্থায়ী অ্যালার্জি এবং কর্নিয়ার মারাত্মক ক্ষতি।
  • শ্বসনতন্ত্র শ্বাসকষ্ট, কাশি এবং ফুসফুসে তরল জমা হওয়া (Edema)। ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস এবং ফুসফুসের কর্মক্ষমতা হ্রাস।
  • স্নায়ুতন্ত্র মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এবং সাময়িক চেতনা হারানো। দীর্ঘ সময় সংস্পর্শে থাকলে লিভার ও কিডনির স্থায়ী ক্ষতি।


এই বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই ফায়ার সার্ভিস কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে বাতাস যেদিকে প্রবাহিত হচ্ছে, সেই দিক বিবেচনা করে মাইকিং করে হাজার হাজার মানুষকে দ্রুত ঘর ছাড়ার অনুরোধ করছে।

শতকরা ১৫ ভাগ নাগরিকের অনীহা ও প্রশাসনের বিকল্প প্রস্তুতি

​এত বড় এবং স্পষ্ট বিপদের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও গার্ডেন গ্রোভ পুলিশের প্রধান আমির এল-ফারা সংবাদমাধ্যমে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, যাদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার সরকারি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ বাসিন্দা (মূলত প্রবীণ ও পোষা প্রাণীর মালিকরা) এখনও নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তারা নিজেদের সম্পত্তি এবং মালামালের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছেন, যা উদ্ধারকারীদের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​ইতিমধ্যেই রেড ক্রসের সহায়তায় দুর্গত ও বাস্তুচ্যুত মানুষদের জন্য শহরের নিরাপদ এলাকায় অন্তত দুটি বিশাল ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র (Evacuation Centers) খোলা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাসেবা ও খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ প্রধান সতর্ক করে বলেছেন যে, যদি ট্যাংকটি বিস্ফোরিত হয়, তবে বাড়িতে থাকা মানুষদের বাঁচানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।

​'বালুর বাঁধ': অদ্ভুত কিন্তু সেরা সম্ভাব্য ফল!

​পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বিস্ফোরণের তীব্রতা বা রাসায়নিকের প্রবাহ কমানো বা আটকে দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রকৌশলীরা কারখানার চারপাশে এক বিশাল ও অভিনব 'বালুর বাঁধ' (Sand Barriers) বা কৃত্রিম প্রাচীর তৈরি করেছেন। ভারী বুলডোজার এবং শত শত ট্রাক দিয়ে এই বালু আনা হয়েছে।

​অরেঞ্জ কাউন্টি ফায়ার অথরিটির প্রধান ক্রেইগ কোভি এই কৌশলী উদ্যোগের পেছনের বৈজ্ঞানিক যুক্তি ব্যাখ্যা করে বলেন:

​"শুনতে কিছুটা অদ্ভুত ও নেতিবাচক মনে হলেও, এই চরম সংকটের মুহূর্তে ট্যাংকটি বিস্ফোরিত না হয়ে যদি কেবল ফেটে যায় এবং বালুর বাঁধের ভেতর ৬-৭ হাজার গ্যালন বিষাক্ত তরল আটকে থাকে—তবে সেটাই হবে আমাদের জন্য এই মুহূর্তের সবচেয়ে ভালো এবং কাঙ্ক্ষিত সম্ভাব্য ফল (Best Possible Outcome)। কারণ এতে আমরা আগুন লাগা ছাড়াই রাসায়নিকটিকে এক জায়গায় আটকে ফেলে পরবর্তীতে নিষ্ক্রিয় করতে পারব।"

​জিকেএন অ্যারোস্পেসের ভূমিকা ও বৈজ্ঞানিক সংকট

​জিকেএন অ্যারোস্পেস হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমান ও মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, যারা কমার্শিয়াল বিমান এবং সামরিক যুদ্ধবিমানের জন্য উচ্চ প্রযুক্তির মেটাল ও প্লাস্টিক কম্পোজিট সরবরাহ করে। ক্যালিফোর্নিয়ার এই প্ল্যান্টটিতে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা প্রটোকল থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একটি নিয়ন্ত্রণ ভালভ এভাবে বিকল হলো, তা নিয়ে মার্কিন ফেডারেল তদন্ত সংস্থাগুলো ইতিমধ্যেই খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছে।

​বিজ্ঞানীদের মতে, যখন এই ধরনের বড় ট্যাংকে রাসায়নিকের ‘পলিমারাইজেশন’ (Polymerization) প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখন তা প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে যাকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় ‘রানঅ্যাওয়ে রিঅ্যাকশন’ (Runaway Reaction) বলা হয়। এই প্রক্রিয়া একবার শুরু হলে তা বাইরে থেকে পানি ঢেলে বা ঠাণ্ডা করে থামানো অত্যন্ত কঠিন।

​উপসংহার ও বৈশ্বিক শিক্ষা

​ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টির এই চলমান সংকট বিশ্বকে আরও একবার মনে করিয়ে দেয় যে, আধুনিক শিল্পোন্নত দেশগুলোতে প্রযুক্তির উৎকর্ষতার পাশাপাশি রাসায়নিক নিরাপত্তার ঝুঁকি কতটা প্রকট। ভোপাল গ্যাস ট্র্যাজেডি বা চিলির মতো বড় বড় শিল্প দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে মার্কিন প্রশাসন এবার আগেভাগেই ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঠেকানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। এখন পুরো আমেরিকার চোখ আটকে আছে ক্যালিফোর্নিয়ার সেই অ্যারোস্পেস প্ল্যান্টের দিকে; ফায়ার ফাইটারদের বুদ্ধিমত্তা ও বালুর বাঁধের শক্তিই নির্ধারণ করবে অরেঞ্জ কাউন্টি বড় কোনো বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবে কিনা।

 

Post a Comment

আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

নবীনতর পূর্বতন