সারাদেশ ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ
সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ কর্মকর্তাদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বৈরাচারী শাসন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন। এরই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগের বর্তমান রাজনৈতিক স্বরূপ এবং দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও কঠোর মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মাননীয় মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন যে, আওয়ামী লীগকে সাধারণ কোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করার আর কোনো সুযোগ নেই; এটি মূলত একটি সুসংগঠিত ‘মাফিয়া পার্টি’। দলটির সমস্ত রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম দেশের অভ্যন্তরে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে এবং এই নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো ধরণের চোরাগোপ্তা তৎপরতা নস্যাৎ করতে প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
আজ শনিবার (২০ জুন ২০২৬) দুপুরে সচিবালয়ের কনফারেন্স রুমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অসামান্য ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যদের বিশেষ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন, কুখ্যাত অপরাধীদের দমন এবং বিদেশে পলাতক দুর্নীতিবাজদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের পরিকল্পনা ও অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।
## রাজনৈতিক চরিত্র হারিয়ে মাফিয়া চক্রে পরিণত হয়েছে আওয়ামী লীগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সচিবালয়ের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ড এবং বর্তমান আইনি আবস্থার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের অধিকার এবং নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি নিয়ে কাজ করে। কিন্তু বিগত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে যেভাবে মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছে, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করেছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে, তা কোনো রাজনৈতিক দলের কাজ হতে পারে না।
আরও পড়ুন: চূড়ান্ত চুক্তির আগে পরমাণু কর্মসূচিতে কোনো বদল নয়: অনড় অবস্থান ইরানের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মূল বক্তব্য:
"আমি অত্যন্ত স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা আওয়ামী লীগকে কোনো সাধারণ বা নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল মনে করি না; এটি মূলত একটা মাফিয়া পার্টি। তাদের অতীত ইতিহাস খুন, গুম, অর্থ পাচার এবং ফ্যাসিবাদের ইতিহাসে কালো অক্ষরে লেখা রয়েছে। জনআকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে বর্তমানে দেশে তাদের সমস্ত ধরণের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে আমরা জানতে পেরেছি যে, আগামী ২৩ জুন তাদের তথাকথিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে তারা আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাতে পারে। এই বিষয়ে দেশের সবকটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং যেকোনো ধরণের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমন করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।"
মন্ত্রী আরও যোগ করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত এই মাফিয়া চক্রের কোনো সদস্য যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে কিংবা দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে চায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
## ইন্টারপোলের জালে সাবেক আইজিপি বেনজীর: দুবাই থেকে প্রত্যর্পণের কাউন্টডাউন
সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম দুর্নীতি মামলার আসামি এবং পুলিশ বাহিনীর সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের অবস্থান ও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক তথ্য প্রদান করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, আন্তর্জাতিক অপরাধী দমন সংস্থা ‘ইন্টারপোল’ (Interpol)-এর জারি করা রেড নোটিশের ভিত্তিতে সাবেক এই প্রভাবশালী পুলিশ প্রধানকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি জানান, বেনজীর আহমেদের মতো একজন শীর্ষ দুর্নীতিবাজকে বাংলাদেশের মাটিতে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার শুরু থেকেই অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। দুবাইয়ে তাঁর গ্রেফতারের খবর পাওয়ার পর পরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যৌথ সমন্বয়ে একটি বিশেষ আইনি ফাইল তৈরি করা হয়।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে রুজু হওয়া কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের সমস্ত মামলার অনুলিপি, আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ও প্রয়োজনীয় সমস্ত আইনি নথিপত্র ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে দুবাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেরণ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইনি প্রক্রিয়া অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক। যেহেতু সব ধরণের প্রমাণাদি সরবরাহ করা হয়েছে, তাই আশা করা যাচ্ছে যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে কুখ্যাত এই পলাতক অপরাধীকে বাংলাদেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে এবং তাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।
## আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে সরকারের বিশেষ অগ্রগতির চিত্র
বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তার একটি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা নিচে সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো:
| আইন-শৃঙ্খলা খাতের বিবরণ | সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ ও বর্তমান অগ্রগতি |
| পলাতক শীর্ষ অপরাধী প্রত্যর্পণ | ইন্টারপোলের মাধ্যমে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইতে গ্রেফতার; দেশে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে। |
| রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা | নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী মাফিয়া চক্রের ২৩ জুনের কর্মসূচির ওপর কড়া নজরদারি ও গোয়েন্দা সতর্কতা জারি। |
| ঢাকার আবাসন ও শহর অঞ্চলের নিরাপত্তা | মোহাম্মদপুরসহ রাজধানীর চিহ্নিত অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে বিশেষ যৌথ বাহিনী ও ড্রোনের মাধ্যমে চিরুনি অভিযান। |
| পুলিশ বাহিনীর পুনর্গঠন ও মনোবল বৃদ্ধি | রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্বাধীনতা প্রদান এবং ভালো কাজের জন্য রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রবর্তন। |
| মাদক ও গ্যাং কালচার নির্মূল | কিশোর গ্যাং এবং স্থানীয় গডফাদারদের তালিকা তৈরি করে এলাকাভিত্তিক বিশেষ চিরুনি অভিযান পরিচালনা। |
## মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের অভয়ারণ্য গুঁড়ো করে দেওয়ার কঠোর প্রত্যয়
রাজধানী ঢাকা মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিশেষ করে মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকায় অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় গ্যাংগুলোর উৎপাত নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। এর জবাবে মন্ত্রী অত্যন্ত কঠোর মনোভাব প্রদর্শন করেন। তিনি স্বীকার করেন যে, বিগত সরকারের দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক পরোক্ষ আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণে মোহাম্মদপুর এলাকাটি বহু বছর ধরেই বিভিন্ন ধরণের অপরাধী, ছিনতাইকারী, মাদক কারবারি এবং অবৈধ দখলদারদের অন্যতম প্রধান অভয়ারণ্য বা সেফ জোনে পরিণত হয়েছিল।
আরও পড়ুন: প্রতিমন্ত্রীর মানহানির মামলা: ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ এর সম্পাদক মেহেদী হাসান গ্রেপ্তার
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, "মোহাম্মদপুরের পরিস্থিতি এখন আর আগের মতো থাকবে না। নির্বাচিত সরকার আসার পর এই এলাকাটিকে সম্পূর্ণ অপরাধমুক্ত করার জন্য একটি বিশেষ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মোহাম্মদপুরকেও সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হবে। এখানকার প্রতিটি অপরাধী, চাঁদাবাজ এবং কিশোর গ্যাংয়ের গডফাদারকে চিহ্নিত করে তাদের সমূলে নির্মূল করা হবে।"
তিনি জানান, ইতিমধ্যেই মোহাম্মদপুরের বিহারী ক্যাম্পসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল স্পটগুলোতে র্যাব ও পুলিশের বিশেষ যৌথ চিরুনি অভিযান শুরু হয়েছে এবং এর ইতিবাচক ফল নগরবাসী খুব দ্রুতই টের পেতে শুরু করেছেন। কোনো অপরাধী যত বড় রাজনৈতিক বা সামাজিক ছত্রছায়ায় থাকুক না কেন, বর্তমান সরকারের আমলে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
## নির্বাচিত সরকারের অধীনে পুলিশ বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
সচিবালয়ের এই জমকালো অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অনন্য সাধারণ বীরত্ব ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিশেষ মেডেল ও আর্থিক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতীতে পুলিশ বাহিনীকে যেভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পেটুয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই অন্ধকার অধ্যায় এখন পুরোপুরি সমাপ্ত।
তিনি অত্যন্ত গর্বের সাথে উল্লেখ করেন যে, দেশে একটি সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং নিরপেক্ষভাবে জননিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো প্রকার রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই পুলিশ এখন পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে, যা ইতিমধ্যেই দেশের সর্বস্তরের জনগণের কাছে দৃশ্যমান ও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা দিন-রাত এক করে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিচ্ছেন এবং তাদের এই অসাধারণ ও প্রশংসনীয় কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও উৎসাহ জোগাতেই সরকারের পক্ষ থেকে এই রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ও সম্মাননার আয়োজন করা হয়েছে।
## সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের আজকের এই সামগ্রিক বক্তব্য ও সচিবালয়ের সিদ্ধান্তসমূহ পর্যালোচনা করলে এটি পরিষ্কার হয়ে যায় যে, বর্তমান সরকার দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আওয়ামী লীগকে ‘মাফিয়া পার্টি’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া কেবল একটি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং এটি বিগত দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও আইনি বাস্তবতার এক বাস্তব প্রতিফলন।
একদিকে বিদেশে পলাতক বেনজীর আহমেদের মতো শীর্ষ অপরাধীদের আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরিয়ে আনা, অন্যদিকে মোহাম্মদপুরের মতো ঢাকার অভ্যন্তরীণ অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে সুরক্ষিত করার এই দ্বিমুখী কৌশল দেশের সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। ‘দিগন্ত বাংলা নিউজ’ পোর্টালের পক্ষ থেকে আমরা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, রাজনৈতিক মোড় এবং এই সমস্ত স্পর্শকাতর মামলার প্রতি মুহূর্তের খবরাখবর প্রফেশনাল, নির্ভীক ও বস্তুনিষ্ঠ উপায়ে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে সর্বদা বদ্ধপরিকর।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।