২৩ জুনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ নিরাপত্তা ও সতর্ক অবস্থান

২৩ জুনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ নিরাপত্তা ও সতর্ক অবস্থান
ছবি: সংগৃহীত

২৩ জুনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকা মহানগরীতে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান

জাতীয় ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ

ঢাকা মেগাসিটির শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বিশেষ করে আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী জুড়ে এক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে যে, এই দিনটিকে ঘিরে কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা শঙ্কা বা বড় ধরনের থ্রেড না থাকলেও, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা কোনো প্রকার আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নয়। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে ডিএমপির সকল ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১৯ জুন ২০২৬) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত একটি জনাকীর্ণ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম। চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিশেষ দিনগুলোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা এবং রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এই বিশেষ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

## ২৩ জুনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ডিএমপির কড়া নিরাপত্তা কৌশল

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে, আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রয়েছে, এই দিনটিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না এবং পুলিশের প্রস্তুতি কেমন। এই প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ২৩ জুন একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং দলটির বর্তমান আইনি ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে এটিকে কেন্দ্র করে ডিএমপির পক্ষ থেকে কড়া নজরদারি ও সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: গ্রুপ পর্বে গোলের নতুন রেকর্ড: ১৯৫৮ সালের পর সর্বোচ্চ গোলের বিশ্বরেকর্ড দেখছে ফুটবল বিশ্ব

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলামের মূল বক্তব্য:

"আগামী ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীতে এই মুহূর্তে কোনো ধরনের বড় নিরাপত্তা শঙ্কা বা সুনির্দিষ্ট কোনো থ্রেড নেই। তবে একটি নিষিদ্ধ বা কার্যক্রম স্থগিত থাকা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা জনজীবনে স্থবিরতা তৈরি করতে না পারে, সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি অতীতের মতোই সর্বাত্মক এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তি যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে বা জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর অপচেষ্টা চালায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

অতিরিক্ত কমিশনার আরও জানান যে, রাজধানীর প্রতিটি প্রবেশদ্বারসহ গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানগুলোতে পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ চেকপোস্ট কার্যক্রম ইতিমধ্যেই জোরদার করা হয়েছে। এই তল্লাশি ও নজরদারি প্রক্রিয়া আগামী দিনগুলোতেও সম্পূর্ণ অব্যাহত থাকবে, যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক বা বহিরাগত কোনো অপশক্তি রাজধানীতে প্রবেশ করতে না পারে।

## রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা ও ডিএমপির কৌশলগত পদক্ষেপসমূহ

ঢাকা মহানগরীর মতো একটি মেগাসিটির নিরাপত্তা বজায় রাখা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। বিশেষ করে সংবেদনশীল রাজনৈতিক দিনগুলোতে পুলিশের কর্মপরিকল্পনা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ডিএমপি সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, ২৩ জুনকে সামনে রেখে মহানগরের বিভিন্ন ক্রাইম বিভাগ এবং গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে কাজ করছে।

নিচে একটি সারণীর মাধ্যমে ডিএমপির বর্তমান security ও কৌশলগত পদক্ষেপসমূহ উপস্থাপন করা হলো:

নিরাপত্তা খাত বা উইংবর্তমানে চলমান ও পরিকল্পিত কার্যক্রমের বিবরণ
গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্টরাজধানীর প্রবেশপথ এবং ভিআইপি এলাকাগুলোতে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার রাখা হয়েছে।
মোবাইল পেট্রোল ও টহলডিএমপির প্রতিটি থানার অধীনে অতিরিক্ত টহল টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিতভাবে পাড়া-মহল্লায় নজরদারি রাখছে।
গোয়েন্দা নজরদারি (Intelligence)সাদা পোশাকে ডিবি এবং বিশেষ শাখার (এসবি) সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে তথ্য সংগ্রহ করছেন।
সাইবার মনিটরিংসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো ধরনের উসকানি বা গুজব ছড়ানো হচ্ছে কি না, তা ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট পর্যবেক্ষণ করছে।
চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দমনতালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং মাদক কারবারিদের আস্তানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

## জামিনে মুক্তি ও ‘কাইল্লা ফারুক’ বিতর্ক: আদালতের এখতিয়ার নিয়ে স্পষ্ট বার্তা

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর স্থানীয় অপরাধচিত্র এবং কুখ্যাত অপরাধীদের আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়টিও উঠে আসে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘কাইল্লা ফারুক’ নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অপরাধী জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় এলাকায় এসে নতুন করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে সাংবাদিকরা ডিএমপির অবস্থান জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম আইনি সীমানা এবং পুলিশের দায়িত্বের বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেন।

আরও পড়ুন: অভিনেতা যাহের আলভী আদালতের নির্দেশে কারাগারে: স্ত্রীর আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা

তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন যে, কোনো অপরাধীর জামিন পাওয়া বা না পাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দেশের সম্মানিত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে, কিন্তু আদালতই সার্বিক আইনগত দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে কাকে জামিন দেওয়া হবে কিংবা কাকে শাস্তি দেওয়া হবে। এখানে পুলিশের সরাসরি কোনো হস্তক্ষেপ করার আইনি সুযোগ নেই।

তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, জামিনে মুক্তি পেয়ে কেউ যদি মনে করে তারা আবারও অপরাধ জগতে ফিরে যাবে এবং সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করবে, তবে তারা চরম ভুলের মধ্যে রয়েছে। জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে তারা অপরাধ করার লাইসেন্স পেয়ে গেছে। ‘কাইল্লা ফারুক’ বা অন্য যেকোনো অপরাধীই হোক না কেন, নতুন করে কোনো অপরাধ বা চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ামাত্রই পুলিশ তাদের পুনরায় আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।

## সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি

অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে ঢাকা মহানগরীকে একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, পেশাদার সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক কারবারি এবং ফুটপাত বা করপোরেট সেক্টরের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির চলমান বিশেষ চিরুনি অভিযান কোনো অবস্থাতেই সচল ও শিথিল হবে না, বরং এটি আরও গতিশীল ও অব্যাহত থাকবে।

অপরাধ দমনে ডিএমপির আইনি প্রক্রিয়া: "আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় নেই। আমাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। যেকোনো অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর আমরা অত্যন্ত professtional উপায়ে প্রয়োজনীয় সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত, ডিজিটাল এভিডেন্স এবং সাক্ষী সংগ্রহ করি, যাতে কোনো আইনি ফাঁকফোকর না থাকে। সমস্ত তথ্য-уপাত্ত সঠিকভাবে সাজিয়ে আমরা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে থাকি, যাতে তারা উপযুক্ত শাস্তি পায়।"

ডিএমপি জানায়, বিশেষ করে মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান ও পুরান ঢাকার মতো জনবহুল ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখতে এবং সাধারণ জননিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করতে পুলিশের দৃশ্যমান নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আগের চেয়ে বহুগুণ জোরদার করা হয়েছে।

## সাইবার অপরাধ ও গুজব প্রতিরোধে বিশেষ সেল

বর্তমান যুগে কেবল মাঠপর্যায়ের অপরাধ দমনই যথেষ্ট নয়, বড় ধরণের রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে একটি বড় অংশের অপরাধী চক্র সাইবার স্পেস বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ডিভিশন এই বিষয়ে সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছে।

আরও পড়ুন: পরীমণি-সাকলায়েন কেলেঙ্কারি: ডিবির সাবেক এডিসির বাধ্যতামূলক অবসরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক বা এক্স (সাবেক টুইটার)-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলোতে ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে কোনো গোষ্ঠী যেন বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব ছড়িয়ে জনমনে ক্ষোভ বা আতঙ্ক তৈরি করতে না পারে, সেজন্য ২৪ ঘণ্টা রিয়েল-টাইম মনিটরিং করা হচ্ছে। যেকোনো ধরণের উসকানিমূলক পোস্ট বা রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

## নাগরিক সহযোগিতা ও উপসংহার

একটি নিরাপদ নগরী বিনির্মাণে কেবল পুলিশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন সাধারণ নাগরিকদের সচেতনতা এবং সক্রিয় সহযোগিতা। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনের শেষভাগে নগরবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক ব্যক্তি, পরিত্যক্ত বস্তু বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য চোখে পড়ামাত্রই যেন নিকটস্থ থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করা হয়।

পরিশেষে বলা যায়, আগামী ২৩ জুনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগর পুলিশ যে ব্যাপক নিরাপত্তা ছক তৈরি করেছে, তা নগরবাসীর মনে এক ধরনের স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস জোগাবে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের যেকোনো ধরনের চোরাগোপ্তা কর্মকাণ্ড বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখে দিতে ডিএমপির এই সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। ‘দিগন্ত বাংলা নিউজ’ পোর্টালের পক্ষ থেকে আমরা রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তার প্রতি মুহূর্তের খবর প্রফেশনাল ও বস্তুনিষ্ঠ উপায়ে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

Post a Comment

আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

নবীনতর পূর্বতন