মধ্যপ্রাচ্যের রক্ষণশীল দেশ সৌদি আরবে মাদক চোরাচালান ও চরমপন্থী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে হু হু করে বাড়ছে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা।
মধ্যপ্রাচ্যে তোলপাড়: সৌদি আরবে মাত্র এক বছরেই ১০০ জনের রেকর্ড মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টির তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী এবং শীর্ষ ধনী দেশ সৌদি আরবে অপরাধ দমনের নামে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ সাজা তথা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদক পাচার, মানবপাচার ও বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে দেশটির বিভিন্ন কারাগারে বন্দি থাকা অন্তত সাতজন আসামির মৃত্যুদণ্ড মাত্র একদিনেই কার্যকর করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। আর এই নতুন সাতজনের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে চলতি ২০২৬ সালের শুরু থেকে এই পর্যন্ত মাত্র সাড়ে পাঁচ মাস বা এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে দেশটিতে মোট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর সংখ্যা ১০০ জনের এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সরকারের অত্যন্ত প্রভাবশালী সংস্থা ‘সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’ (Ministry of Interior) এক দাপ্তরিক বিবৃতির মাধ্যমে এই গণ-মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চাঞ্চল্যকর তথ্যটি বিশ্ববাসীর সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। সৌদি সরকারের এই কঠোর ও আপসহীন পদক্ষেপের পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, হতাশা ও গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে সৌদি আরবের এমন কঠোর বিচারিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থা তাদের কঠোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।
## মঙ্গলবার একদিনেই ৭ জনের ফাঁসি: মাদক ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে রিয়াদের জিরো টলারেন্স নীতি
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি (AFP)-এর বিশেষ প্রতিবেদন এবং সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার দেশটির কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত কেন্দ্রীয় কারাগারগুলোতে অত্যন্ত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার সাথে মোট সাতজন বন্দির মৃত্যুদণ্ড বা সর্বোচ্চ শিরশ্ছেদ কার্যকর করা হয়। দাপ্তরিক তথ্যে জানা গেছে, মঙ্গলবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া এই সাতজন আসামির মধ্যে পাঁচজনই আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের সাথে সরাসরি জড়িত থাকার অপরাধে বিজ্ঞ আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। বাকি দুইজন রাষ্ট্রবিরোধী চরমপন্থী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: অনলাইন জুয়া ও বেটিং রোধে কঠোর আইন: সংসদে নতুন বিল উত্থাপন
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছর যে ১০০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাদের মধ্যে সিংহভাগই মাদক সংক্রান্ত অপরাধের সাথে যুক্ত ছিলেন। চলতি বছরে মাদক পাচারের দায়ে এখন পর্যন্ত মোট ৬৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। আর সবচেয়ে বড় ও চমকপ্রদ তথ্য হলো, মাদক অপরাধে প্রাণ হারানো এই ৬৫ জন আসামির মধ্যে ৪৩ জনই সম্পূর্ণ বিদেশী নাগরিক, যারা উন্নত জীবিকার সন্ধানে বা বিভিন্ন উপায়ে সৌদি আরবে এসে আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেটের খপ্পরে পড়েছিলেন। সৌদি আরবের কঠোর শরীয়া আইন অনুযায়ী, মাদকের সাথে ন্যূনতম সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললেই সেখানে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে।
## "বিবেকহীন ও বেআইনি নির্মমতার মাইলফলক": সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গর্জে উঠল অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
সৌদি আরবের মাটিতে এভাবে একের পর এক গণ-মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। লন্ডনে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ও প্রভাবশালী মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (Amnesty International) গত সোমবার এক বিশেষ বিবৃতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষের এই বিচারিক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা ও নিন্দা জ্ঞাপন করেছে। সংস্থাটি সৌদি আরবের এই পদক্ষেপকে একটি স্বাধীন দেশের সরকারের "বিবেকহীন, অমানবিক এবং সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে মৃত্যুদণ্ড ব্যবহারের এক নির্মম ও কালো মাইলফলক" হিসেবে সরাসরি আখ্যায়িত করেছে।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি তাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করেছে:
আরও পড়ুন: মেসিকে সর্বকালের সেরা বলার দাবি ওড়াল ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো
"মাদক সংক্রান্ত অপরাধের অজুহাতে সৌদি আরব সরকার যেভাবে নির্বিচারে এবং পৈশাচিক উপায়ে মৃত্যুদণ্ডের মতো সর্বোচ্চ সাজা ব্যবহার করছে, তার কারণে সবচেয়ে বড় ও প্রধান ভুক্তভোগী হচ্ছেন দেশটিতে কর্মরত নিরীহ বিদেশী শ্রমিক ও নাগরিকরা। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, সৌদি আরবের স্থানীয় আদালতগুলোতে কোনো ধরণের নিরপেক্ষ বা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আইনি লড়াইয়ের সুযোগ দেওয়া হয় না। প্রায়ই অত্যন্ত অন্যায্য ও একপেশে বিচারের মুখোমুখি করে এই সমস্ত বিদেশী নাগরিকদের তড়িঘড়ি করে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের চরম লঙ্ঘন।"
## খামিস মুশাইত ডিটেনশন সেন্টারের আতঙ্ক: মৃত্যুর মুখোমুখি ৬৩ জন ইথিওপিয়ান নাগরিক
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের বিশেষ প্রতিবেদনে সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত অত্যন্ত সুরক্ষিত ও বিতর্কিত ‘খামিস মুশাইত’ (Khamis Mushait) আটক কেন্দ্রের ভেতরের এক লোমহর্ষক ও ভয়াবহ চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে। সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, ওই ডিটেনশন সেন্টারের বা কারাগারের একটি একক নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের ভেতরেই বর্তমানে অন্তত ৬৩ জন ইথিওপিয়ান নাগরিক অত্যন্ত মানবেতর অবস্থায় বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।
সবচেয়ে ভীতিজনক তথ্য হলো, এই ৬৩ জন আফ্রিকান নাগরিকের প্রত্যেকেই কেবল ছোট বা বড় ধরণের মাদক সংক্রান্ত অপরাধের দায়ে সৌদি আদালতের নিম্নকক্ষে ইতিমধ্যেই মৃত্যুদণ্ডের আদেশে দণ্ডিত হয়েছেন। যেকোনো মুহূর্তে, কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সৌদি সরকারের জল্লাদরা তাদের ফাঁসি বা শিরশ্ছেদ কার্যকর করতে পারে বলে চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা। এই বন্দিদের জীবন বাঁচাতে এবং সৌদি আরবের এই নির্বিচার ফাঁসি বন্ধ করতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলকে অবিলম্বে কঠোর হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।
## মৃত্যুদণ্ডের শিকার হওয়া ১০০ জনের দেশের তালিকা ও বিগত বছরের সেই রেকর্ড সংখ্যা
চলতি ২০২৬ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সৌদি আরবের সরকারি জল্লাদদের হাতে প্রাণ হারানো ১০০ জন অপরাধীর জাতীয়তা বা তারা কোন দেশের নাগরিক, তার একটি বিশদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। এই তথ্য থেকে স্পষ্ট যে, সৌদি আরবের কঠোর আইনের থাবা থেকে স্থানীয় নাগরিক বা বিদেশী—কারও পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
নিচে দেশভিত্তিক আরোহীদের বা আসামিদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান দেওয়া হলো:
আরও পড়ুন: আর্জেন্টিনায় উন্মোচন হলো বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ২৬ মিটারের ‘মেসি মূর্তি’
সৌদি আরব (স্থানীয় নাগরিক): ৪৮ জন (নিজের দেশের নাগরিকদেরও ছাড় দেয়নি রিয়াদ সরকার)।
ইথিওপিয়া: ১২ জন নাগরিক।
পাকিস্তান: ৭ জন নাগরিক।
সুদান: ৬ জন নাগরিক।
ইয়েমেন: ৪ জন নাগরিক।
সিরিয়া: ৪ জন নাগরিক।
উল্লেখ্য, বিগত ২০২৫ সালেও সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার ছিল পৃথিবীর সমস্ত দেশের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। গত ২০২৫ সালে পুরো বছরে সৌদি আরব রেকর্ড সংখ্যক ৩৫৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছিল, যার মধ্যে রেকর্ড ২৪৩ জনই সরাসরি মাদক চোরাচালানের অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৯০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বজুড়ে মৃত্যুদণ্ডের রেকর্ড রাখা শুরু করার পর থেকে, গত বছর সৌদি আরবে কার্যকর হওয়া ৩৫৬টি মৃত্যুদণ্ডই ছিল দেশটির ইতিহাসে একক বছরে সর্বোচ্চ ও সবচেয়ে বড় রেকর্ড।
## একনজরে সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার খতিয়ান
পাঠকদের সুবিধার্থে এবং সৌদি আরবে চলমান এই গণ-মৃত্যুদণ্ড ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগের সার্বিক বিবরণ একনজরে সহজে অনুধাবন করার জন্য নিচে একটি বিশেষ আধুনিক তথ্য সারণী প্রদান করা হলো:
| সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ড ও অপরাধের খাতসমূহ | সুনির্দিষ্ট বিবরণ ও দাপ্তরিক তথ্যাবলী |
| চলতি বছরে মোট মৃত্যুদণ্ড কার্যকর | ১০০ জন (২৩ জুন ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্ত সর্বশেষ হিসাব)। |
| মঙ্গলবার একদিনে কার্যকর হওয়া সাজা | ০৭ জনের মৃত্যুদণ্ড (০৫ জন মাদক ও ০২ জন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে)। |
| মাদক সংক্রান্ত অপরাধে মোট সাজা | ৬৫ জন (যার মধ্যে ৪৩ জনই হতভাগ্য বিদেশী নাগরিক)। |
| বিগত ২০২৫ সালের সর্বোচ্চ রেকর্ড | ৩৫৬ জনের মৃত্যুদণ্ড (যার মধ্যে ২৪৩ জনই মাদক চোরাচালানকারী)। |
| বিশ্বমঞ্চে মৃত্যুদণ্ডে সৌদির অবস্থান | বিশ্বজুড়ে তৃতীয় (প্রথম স্থানে চীন এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইরান)। |
| আইনি নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের সাল | প্রায় ৩ বছর স্থগিত রাখার পর ২০২২ সালের শেষের দিকে পুনরায় কার্যকর। |
| আন্তর্জাতিক প্রধান সমালোচনাকারী | লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’। |
## ভিশন ২০৩০ বনাম শরীয়া আইনের কঠোরতা: বিশ্বমঞ্চে ইমেজ সংকটে সৌদি আরব
সৌদি আরবের বর্তমান যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান (MBS) তাঁর দূরদর্শী মহাপরিকল্পনা ‘ভিশন ২০৩০’ (Vision 2030) এর মাধ্যমে সৌদি আরবকে একটি আধুনিক, প্রগতিশীল, পর্যটনবান্ধব এবং উদার রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি, সিনেমা হল উন্মুক্ত করা এবং আন্তর্জাতিক তারকাদের সৌদিতে এনে বিনোদন খাতের ব্যাপক প্রসার ঘটানো হলেও, দেশের অভ্যন্তরীণ বিচার ব্যবস্থার কঠোরতা ও এই ধরণের মাত্রাতিরিক্ত ফাঁসি কার্যকরের ঘটনা পশ্চিমা বিশ্ব ও আন্তর্জাতিক দাতা গোষ্ঠীগুলোর কাছে সৌদির ভাবমূর্তি প্রতিনিয়ত চরম সংকটের মুখে ফেলছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে সৌদি আরবের দ্বিমুখী নীতি এবং আদিম যুগের বর্বরতা বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
তবে সমস্ত আন্তর্জাতিক সমালোচনা ও বৈশ্বিক চাপকে এক ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিয়ে সৌদি আরবের রাজকীয় কর্তৃপক্ষ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। রিয়াদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ শান্তি, জনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদকের মরণছোবল থেকে যুবসমাজকে বাঁচানো এবং দেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই কঠোর মৃত্যুদণ্ডের বিধান অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য। তারা আরও দাবি করেছে, সৌদি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিটি আসামিকে সুপ্রিম কোর্ট ও আপিল বিভাগের সবকটি আইনি পথ নিশ্চিতভাবে শেষ করার এবং রাজকীয় ক্ষমার আবেদন করার সম্পূর্ণ সুযোগ দেওয়ার পরই কেবল সর্বোচ্চ সাজা চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হয়।
নিউজ সূত্র: এএফপি (AFP)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।