বিজ্ঞাপন জালিয়াতির মাধ্যমে ১৬ বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ: ওয়াশিংটনে মেটার বিরুদ্ধে টেক জায়ান্টদের কাঁপানো মেগা মামলা দায়ের, প্রতিদিন ১৫ বিলিয়ন ঝুঁকিপূর্ণ বিজ্ঞাপনের মুখোমুখি ব্যবহারকারীরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ
বিশ্বের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একক ও অবিসংবাদিত মোড়ল প্রতিষ্ঠান মেটা (Meta) আবারও এক নজিরবিহীন এবং অত্যন্ত জটিল আইনি মারপ্যাঁচের মুখোমুখি হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর প্যারেন্ট কোম্পানি মেটার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে একটি অত্যন্ত বড় মাপের কর্পোরেট ও দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম দুই নামী এবং প্রভাবশালী আইনি সংস্থা ‘টাইকো অ্যান্ড জাভারেই এলএলপি’ (Tycko & Zavareei LLP) এবং ‘টেক জাস্টিস ল’ (Tech Justice Law) যৌথভাবে মেটার বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই মেগা মামলায় মেটার বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ এনে বলা হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ সচেতনভাবে এবং নিজেদের আর্থিক মুনাফা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে জালিয়াতিপূর্ণ ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করার অবাধ সুযোগ করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে কোটি কোটি সাধারণ ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত ও প্রতারিত করে মেটা অবৈধভাবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই মামলাটি বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি খাতের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি অর্থাৎ ‘ডিজিটাল অ্যাডভার্টাইজিং মডেল’ বা ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ব্যবস্থার নৈতিকতাকে এক বড় ধরণের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
মামলার মূল অভিযোগ ও চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান: মেটার আয়ের অন্ধকার দিক
আদালতে দায়ের করা মামলার মূল নথিপত্র এবং আরজিতে মেটার ব্যবসায়িক নৈতিকতা, গ্রাহক নিরাপত্তা নীতি এবং কর্পোরেট সুশাসনের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। আইনি সংস্থা দুটির পক্ষ থেকে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বেশ কিছু অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক তথ্য আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা মেটার বিশাল আয়ের পেছনের এক অন্ধকার চিত্রকে উন্মোচিত করে। মামলার নথিতে প্রধানত তিনটি মৌলিক বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে:
বিপুল ও অনৈতিক মুনাফা: মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ২০২৪ সালে মেটা বিশ্বব্যাপী যে বিশাল পরিমাণ রাজস্ব বা রেভিনিউ আয় করেছে, তার একটি বড় অংশই এসেছে চরম অনৈতিক পন্থায়। মেটার মোট বার্ষিক রাজস্ব আয়ের প্রায় ১০ শতাংশই অর্জিত হয়েছে সম্পূর্ণ প্রতারণামূলক, ভুয়া কিংবা আন্তর্জাতিক নীতিবহির্ভূত বিভিন্ন ক্ষতিকর পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে। এই ১০ শতাংশ আয়ের প্রকৃত আর্থিক বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
বিজ্ঞাপনের ভয়াবহতা ও ব্যবহারকারীর ঝুঁকি: মামলায় দাবি করা হয়েছে যে, মেটার অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার চেয়ে বিজ্ঞাপনের ক্লিক ও ভিউ নিশ্চিত করাকে বেশি প্রাধান্য দেয়। এর ফলে, প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম স্ক্রোল করার সময় প্রায় ১৫ বিলিয়ন উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ, ক্ষতিকর এবং চরম সন্দেহজনক বিজ্ঞাপনের মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব বিজ্ঞাপনের মধ্যে রয়েছে ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি স্ক্যাম, নকল ই-কমার্স প্রোডাক্টের অফার, ডেটা চুরির ফিশিং লিংক এবং অলৌকিক বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসার চটকদার বিজ্ঞাপন।
গ্রাহকদের বৈধ অভিযোগ উপেক্ষা: মামলার সবচেয়ে মারাত্মক অভিযোগটি হলো ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় মেটার চরম উদাসীনতা। প্রতিনিয়ত সাধারণ ব্যবহারকারীরা যখন এসব প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের খপ্পরে পড়ে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং মেটার সাপোর্ট সেন্টারে হাজার হাজার লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট দাখিল করছেন, মেটা তখন তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে। নথিতে দাবি করা হয়, ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে পাওয়া মোট বৈধ ও শতভাগ সত্য অভিযোগের মধ্যে প্রায় ৯৬ শতাংশ অভিযোগেরই কোনো প্রকার সমাধান বা আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে মেটা তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান ও ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করেছে।
ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে তীব্র বিতর্ক: পর্দার আড়ালের নোংরা খেলা
মেটার এই সামগ্রিক কার্যক্রমকে কেবল একটি সাধারণ প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা নজরদারির অভাব হিসেবে দেখতে নারাজ আইন বিশেষজ্ঞরা। ‘টেক জাস্টিস ল’-এর অন্যতম শীর্ষ অ্যাটর্নি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারাহ কে উইলি এই মামলা প্রসঙ্গে বিশ্ব গণমাধ্যমে একটি অত্যন্ত কড়া ও বিস্ফোরক বিবৃতি প্রদান করেছেন। তিনি মেটার দ্বিচারিতা এবং মুনাফালোভী মানসিকতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন:
সারাহ কে উইলির বক্তব্য: "মেটা বাহ্যিকভাবে বা জনসম্মুখে সবসময় নিজেদের প্ল্যাটফর্মকে নিরাপদ রাখার এবং প্রতারণা দমনের বড় বড় বুলি আওড়ায়, যা আসলে সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার একটি চমৎকার কৌশল মাত্র। কিন্তু পর্দার আড়ালে তাদের আসল রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অত্যন্ত কুৎসিত। প্রতিষ্ঠানটি জেনেশুনেই সাইবার অপরাধী ও প্রতারক বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে চড়া মূল্যে বিজ্ঞাপনের স্লট বিক্রি করছে এবং তাদের প্ল্যাটফর্মে অবাধে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার পরোক্ষ লাইসেন্স দিচ্ছে। কারণ মেটা খুব ভালো করেই জানে, এই জালিয়াতি বন্ধ হয়ে গেলে তাদের আয়ের একটি বিশাল অংশ রাতারাতি গায়েব হয়ে যাবে। সুতরাং, এটি কোনো ভুল নয়, এটি মূলত মেটার একটি সুপরিকল্পিত এবং অসাধু ব্যবসায়িক মডেলের অংশ।"
মেটার পাল্টা প্রতিরোধ: অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার ও আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা
মার্কিন আদালতে এই মামলা দায়ের এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এটি নিয়ে তোলপাড় শুরু হওয়ার পর থেকেই মেটা কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত রক্ষণাত্মক অবস্থান গ্রহণ করেছে। শুরু থেকেই আইনি সংস্থা দুটির আনা সমস্ত অভিযোগ ও পরিসংখ্যানকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতাবিবর্জিত বলে উড়িয়ে দিচ্ছে মেটা। মেটার আন্তর্জাতিক জনসংযোগ বিভাগের একজন প্রধান মুখপাত্র এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, মামলার আরজিতে যে সমস্ত দাবি ও আর্থিক আয়ের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে, তা কোনোভাবেই বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বা বিজ্ঞানসম্মত নয়। মেটার দাবি অনুযায়ী, তারা তাদের বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা শতকোটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও তথ্যের সুরক্ষাকে সবসময় সবকিছুর ঊর্ধ্বে বা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং এই মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে তারা আদালতে শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে।
নিজেদের সততা এবং শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রমাণ হিসেবে মেটার পক্ষ থেকে গত বছরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডেটা ও অভ্যন্তরীণ পরিসংখ্যান বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হয়েছে:
রেকর্ড পরিমাণ বিজ্ঞাপন অপসারণ: মেটা দাবি করেছে যে, তাদের প্ল্যাটফর্মে কোনো প্রকার স্ক্যাম বা ভুয়া বিজ্ঞাপনকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। এর প্রমাণস্বরূপ, গত এক বছরে তারা তাদের কঠোর নীতিমালা ভঙ্গের দায়ে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫ কোটি ৯০ লাখের বেশি জাল, ক্ষতিকর ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন চিরতরে সরিয়ে বা ডিলিট করে ফেলেছে।
প্রো-অ্যাক্টিভ আইআই প্রযুক্তির ব্যবহার: মেটার মুখপাত্র জানান, জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে তাদের নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ফিল্টার অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কাজ করছে। গত বছর অপসারিত মোট বিজ্ঞাপনের প্রায় ৯২ শতাংশই কোনো সাধারণ ব্যবহারকারীর অভিযোগ বা রিপোর্ট পাওয়ার আগেই মেটার নিজস্ব সিকিউরিটি সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত ও ব্লক করতে সক্ষম হয়েছিল।
কোটি কোটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট চিরতরে বন্ধ: শুধু বিজ্ঞাপনই নয়, মেটা এই প্রতারণার মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে ব্যাপক আইনি ও কারিগরি অভিযান চালিয়েছে। জালিয়াতি ও আন্তর্জাতিক অর্থ পাচার চক্রের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অকাট্য অপরাধে তারা ফেসবুক (Facebook) এবং ইনস্টাগ্রামের (Instagram) প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি ক্ষতিকর এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বা পার্মানেন্টলি সাসপেন্ড ও বন্ধ করে দিয়েছে।
মামলার মূল তথ্য ও উভয় পক্ষের দাবির এক নজরে তুলনামূলক চিত্র:
পাঠকদের সুবিধার্থে এবং মেটা বনাম আইনি সংস্থাগুলোর এই দ্বৈরথের মূল বিষয়গুলো সহজে অনুধাবনের জন্য নিচে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটা টেবিল উপস্থাপন করা হলো:
| মামলার খাত বা পক্ষ | আইনি সংস্থার মূল অভিযোগ ও দাবি | মেটা কর্তৃপক্ষের পাল্টা জবাব ও যুক্তি |
| অবৈধ বা ভুয়া আয়ের পরিমাণ | ২০২৪ সালে জালিয়াতিপূর্ণ বিজ্ঞাপন থেকে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার আয় (মোট আয়ের ১০%)। | দাবিটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও বাস্তবতার সঙ্গে কোনো সংগতি নেই। |
| প্রতিদিনের ঝুঁকি ও এক্সপোজার | সাধারণ ব্যবহারকারীরা দৈনিক ১৫ বিলিয়ন ঝুঁকিপূর্ণ বিজ্ঞাপনের মুখোমুখি হন। | নিজস্ব এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। |
| অভিযোগের ওপর নেওয়া পদক্ষেপ | ব্যবহারকারীদের ৯৬% বৈধ অভিযোগ মেটা কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। | অপসারিত বিজ্ঞাপনের ৯২% ব্যবহারকারীর রিপোর্টের আগেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরানো হয়েছে। |
| নিরাপত্তা ও অ্যাকশন ডাটা | মেটার অসাধু ব্যবসায়িক মডেল প্রতারকদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ দেয়। | গত বছর ১৫ কোটি ৯০ লাখ ভুয়া বিজ্ঞাপন অপসারণ এবং ১.৯ কোটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে। |
প্রযুক্তি বিশ্বে এই মামলার সুদূরপ্রসারী প্রভাব ও ভবিষ্যৎ মোড়
সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি বিশ্লেষক এবং সাইবার আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ওয়াশিংটন ডিসির এই মামলাটি কেবল মেটা বা ফেসবুকের একক কোনো সমস্যা নয়, বরং এটি সমগ্র বিগ-টেক (Big-Tech) দুনিয়ার বর্তমান বিজ্ঞাপন নীতি, ডেটা মনোপলি এবং গ্রাহক সুরক্ষা ব্যবস্থার ভেতরের কঙ্কালসার ও দুর্বল রূপটিকে নতুন করে বিশ্ববাসীর সামনে নিয়ে এসেছে। এতদিন ধরে গুগল, মেটা কিংবা টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারকারীর সুরক্ষার চেয়ে বিজ্ঞাপনের ক্লিক এবং কর্পোরেট প্রফিটকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে আসছিল বলে যে সাধারণ অভিযোগ ছিল, এই মামলার মাধ্যমে তার আইনি ভিত্তি তৈরি হলো।
যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে ‘টাইকো অ্যান্ড জাভারেই এলএলপি’ এবং ‘টেক জাস্টিস ল’-এর আনা এই অভিযোগগুলো সুনির্দিষ্ট প্রমাণের মাধ্যমে সত্য বলে প্রমাণিত হয়, তবে মেটাকে ইতিহাসের অন্যতম বড় অংকের আর্থিক জরিমানার (Fine) মুখোমুখি হতে হবে। শুধু তাই নয়, মার্কিন কংগ্রেস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) কঠোর ডিজিটাল সার্ভিস অ্যাক্টের (DSA) অধীনে মেটাকে তাদের মূল অ্যালগরিদম এবং বৈশ্বিক বিজ্ঞাপন নীতিতেও আমূল ও মৌলিক পরিবর্তন আনতে বাধ্য করা হতে পারে। এর ফলে আগামী দিনে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা অনেক বেশি নিরাপদ ও স্ক্যাম-মুক্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মেটার এই আইনি লড়াইয়ের প্রতি মুহূর্তের আপডেটের দিকে এখন গভীর নজর রাখছে গোটা বিশ্ব।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।