মালচিং পদ্ধতিতে অসময়ের তরমুজ চাষ: পাকুন্দিয়ার কৃষকদের নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লব

মালচিং পদ্ধতিতে অসময়ের তরমুজ চাষ: পাকুন্দিয়ার কৃষকদের নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লব
ছবি: সংগৃহীত
 প্রকৃতি ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ

কিশোরগঞ্জ: গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহ আর কাঠফাটা রোদে তৃষ্ণা মেটাতে এবং মানবদেহের ক্লান্তি দূর করতে যে ফলটির নাম সবার আগে মনে আসে, তা হলো রসালো ও সুস্বাদু তরমুজ। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, শরীরের অভ্যন্তরীণ পানির ঘাটতি পূরণে প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সমৃদ্ধ এই প্রাকৃতিক ফলের কোনো বিকল্প নেই। কেবল পানির তৃষ্ণাই নয়, তরমুজে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন ‘সি’, পটাশিয়াম এবং হজমপ্রক্রিয়া উন্নতকারী খাদ্য আঁশ। এর পাশাপাশি এতে রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট 'লাইকোপিন', যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলতে এবং মারাত্মক সব ব্যাধি থেকে শরীরকে সুরক্ষা দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রথাগতভাবে আমাদের দেশে চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত অর্থাৎ তীব্র গরমের সময়েই দেশের বাজারগুলোতে তরমুজের ব্যাপক সরবরাহ ও বেচাকেনা লক্ষ্য করা যায়। তবে চিরাচরিত সেই চেনা ছক ও মৌসুমের ওপর নির্ভরতা ভেঙে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির অভূতপূর্ব কল্যাণে এখন বছরের যেকোনো সময়ে, বিশেষ করে অফ-সিজন বা অসময়েও বাণিজ্যিকভাবে উচ্চ ফলনশীল তরমুজ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।

​আধুনিক মালচিং পেপার প্রযুক্তি, সুপরিকল্পিত মাচা পদ্ধতি, উন্নত ও বৈজ্ঞানিক পানি ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় কৃষি বিভাগের সার্বিক কারিগরি ও মাঠপর্যায়ের সহায়তায় কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় অফ-সিজনের বা অসময়ের এই তরমুজ চাষ দেশের সামগ্রিক কৃষিখাতে এক নতুন ও বৈপ্লবিক সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আজ থেকে কয়েক বছর আগেও বর্ষাকালের অতিবৃষ্টি এবং জলাবদ্ধতার কারণে পাকুন্দিয়ার যেসব নিচু ও পতিত জমি সম্পূর্ণ অনাবাদি বা পতিত অবস্থায় পড়ে থাকত, আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এখন সেই প্রতিকূল জমিতেই উৎপাদিত হচ্ছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়, উন্নতমানের ও সুমিষ্ট তরমুজ। উপজেলার একজন প্রগতিশীল কৃষকের এমন অভাবনীয় ও চোখ ধাঁধানো সফল উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে এলাকার অন্য সাধারণ চাষিরাও এখন প্রথাগত ধান কিংবা তুলনামূলক কম লাভজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ ফসলের আবাদ বাদ দিয়ে অসময়ের এই উচ্চমূল্যের তরমুজ চাষের দিকে ব্যাপকভাবে ঝুঁকছেন।

​অফ-সিজন তরমুজ চাষের পুষ্টি ও বাজারমূল্যের সমীকরণ

​অসময়ে উৎপাদিত তরমুজের প্রতি সাধারণ ক্রেতা ও পুষ্টি সচেতন মানুষের আকর্ষণ দিন দিন বাড়ছে। বাজারে এই অফ-সিজন ফলের ভালো দাম পাওয়ার মূল কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • অফ-সিজনে ফলের ঘাটতি: বর্ষা ও শরৎকালে দেশের বাজারে আম, কাঁঠাল বা লিচুর মতো প্রধান প্রধান দেশীয় ফলের সরবরাহ ফুরিয়ে আসে। এই সময়ে তরমুজের মতো একটি রসালো ফলের আগমন বাজারের শূন্যতা পূরণ করে।
  • আকর্ষণীয় বাজারমূল্য: সাধারণ মৌসুমে যেখানে একটি মাঝারি আকৃতির তরমুজ ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়, অফ-সিজনে ঠিক একই ওজনের একটি তরমুজ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত অনায়াসে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে।
  • ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা: ডেঙ্গু বা বিভিন্ন মৌসুমী জ্বরের প্রকোপের সময়ে চিকিৎসকেরা রোগীদের শরীরে তরল ও পুষ্টির ভারসাম্য ঠিক রাখতে তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দেন, যা এর চাহিদাকে বারো মাস সচল রাখে।

​ঘাগড়া গ্রামের আলাউদ্দিন: পাকুন্দিয়ার আধুনিক কৃষির এক জীবন্ত রূপকার

​পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত ঘাগড়া গ্রামের কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বর্তমানে সমগ্র এলাকায় অফ-সিজনের তরমুজ চাষের প্রধান পথিকৃৎ ও সফল রোল মডেল হিসেবে সর্বস্তরে পরিচিতি লাভ করেছেন। বিগত কয়েক বছর ধরে তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে এবং পরীক্ষামূলকভাবে মালচিং ও মাচা পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে তরমুজ আবাদ করে ধারাবাহিকভাবে অভাবনীয় সফলতা অর্জন করে আসছেন। প্রথমদিকে অত্যন্ত স্বল্প পরিসরে এবং কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব নিয়ে এই চাষ শুরু করলেও, বর্তমান ২০২৬ সালের এই সময়ে এসে তিনি একে একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রূপ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: রোদ-বৃষ্টির চিরসাথী ছাতা: স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ফ্যাশনে এর গুরুত্ব এবং সঠিক ছাতা চেনার উপায়

​মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের এই অগ্রযাত্রার অর্থনৈতিক খতিয়ান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত বছর তিনি নিজের মাত্র ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ জমিতে অসময়ের তরমুজ আবাদ করেছিলেন। সমস্ত খরচ বাদ দিয়ে সে বছর তিনি প্রায় ৯০ থেকে ৯২ হাজার টাকার তরমুজ পাইকারি বাজারে বিক্রি করতে সক্ষম হন, যা প্রচলিত যেকোনো ফসলের আয়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। বিগত বছরের সেই চোখ ধাঁধানো ও অভাবনীয় সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে এবং নিজের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে চলতি আবাদ মৌসুমে তিনি তার চাষের পরিধি ব্যাপক আকারে সম্প্রসারণ করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রায় ৮২ থেকে ৮৪ শতাংশের এক বিশাল জমিতে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে অফ-সিজনের তরমুজ চাষ করেছেন।

​সরেজমিনে মাঠের চিত্র: চোখ জুড়ানো সবুজ লতা ও ঝুলন্ত তরমুজের মেলা

​ঘাগড়া গ্রামে মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের তরমুজ ক্ষেত সরেজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখা যায় এক অপূর্ব ও বৈজ্ঞানিক চাষাবাদের দৃশ্য। পুরো চাষের জমিজুড়ে সুশৃঙ্খলভাবে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ধরণের মালচিং পলিথিন বা পেপার, যা আধুনিক স্মার্ট কৃষির অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা এবং আগাছা দমনে এটি চমৎকার কাজ করছে। প্রতিটি সুনির্দিষ্ট সারির ওপর অত্যন্ত নিখুঁত ও মজবুতভাবে বাঁশ, খুঁটি এবং প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে শক্তপোক্ত মাচা। আর সেই মাচাজুড়ে মনোরম ভঙ্গিতে ছড়িয়ে পড়েছে তরমুজ গাছের ঘন সবুজ লতা। লতার ফাঁকে ফাঁকে থোকায় থোকায় ঝুলছে অসংখ্য আকর্ষণীয় বড় আকৃতির ডোরাকাটা গাঢ় রঙের তরমুজ।

​মাঠপর্যায়ে দেখা গেছে, প্রতিটি সুস্থ ও সবল গাছে গড়ে তিন থেকে চারটি করে তরমুজ ঝুলছে, যার প্রতিটির বর্তমান গড় ওজন প্রায় চার থেকে পাঁচ কেজি পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে। মাচায় ঝুলন্ত এই ভারী ফলের অতিরিক্ত ওজন ও চাপ সামলাতে এবং যেকোনো ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ঝড়-বৃষ্টির হাত থেকে ফসল রক্ষা করতে প্রতিটি তরমুজকে আলাদা আলাদা রঙিন নাইলনের নেট বা জালি দিয়ে অত্যন্ত যত্নে মাচার সাথে বেঁধে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। এর ফলে ঝড়ো হাওয়া বা ফলের অতিরিক্ত ওজনের কারণে বোঁটা ছিঁড়ে ফল মাটিতে পড়ে নষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

​মালচিং ও মাচা প্রযুক্তির বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতা

​আধুনিক কৃষিবিজ্ঞানীদের মতে, বর্ষাকালে বা অসময়ে তরমুজ চাষের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং মাটির স্যাঁতসেঁতে ভাব, যা গাছের গোড়া পচা রোগ বা ফাঙ্গাসের আক্রমণ বাড়িয়ে দেয়। এই সমস্যার শতভাগ সমাধান এনেছে মালচিং পেপার প্রযুক্তি।

​এই আধুনিক মালচিং পদ্ধতির প্রধান সুবিধাগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

  • গোড়া পচা রোগ প্রতিরোধ: মালচিং পেপার ব্যবহারের ফলে বৃষ্টির পানি সরাসরি গাছের গোড়ায় জমে থাকতে পারে না। এটি অতিরিক্ত পানিকে দ্রুত নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে, যার ফলে বর্ষাকালীন ক্ষতিকর ছত্রাক বা গোড়া পচা রোগ থেকে গাছ সম্পূর্ণ মুক্ত থাকে।
  • আগাছা ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ: পলিথিন দিয়ে মাটি ঢাকা থাকার কারণে জমিতে কোনো ধরণের অপ্রয়োজনীয় আগাছা জন্মাতে পারে না। এর ফলে সারের পুষ্টিগুণ সরাসরি মূল গাছটিই গ্রহণ করে। এছাড়া মালচিং পেপারের বিশেষ প্রতিফলক স্তর পোকা-মাকড়কে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
  • সার ও সেচ সাশ্রয়: এই পদ্ধতিতে মাটির ভেতরের আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে। ফলে ঘন ঘন সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না এবং বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে না যাওয়ায় সারের কার্যকারিতা দীর্ঘদিন বজায় থাকে।

​এর পাশাপাশি উন্নত ও মানসম্মত জাতের বীজ নির্বাচন (যেমন বর্তমান বাজারে বহুল জনপ্রিয় ব্ল্যাক কুইন, জামালপুর সিড ইত্যাদি), সঠিক পদ্ধতিতে জমি প্রস্তুতকরণ, জৈব সারের সুষম ব্যবহার, সময়োপযোগী রোগবালাই দমন এবং কৃষি বিভাগের নির্দেশিত স্প্রে শিডিউল অক্ষরে অক্ষরে পালন করার কারণে পাকুন্দিয়ার কৃষকরা এবার তরমুজের বাম্পার ফলন ঘরে তুলতে পারছেন।

​কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি মিশন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

​পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এই বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক তথ্য প্রদান করেছেন। তারা জানান, মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের মতো প্রগতিশীল কৃষকদের এই আধুনিক অফ-সিজন তরমুজ চাষের পাশাপাশি এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালীন শিম, ক্যাপসিকাম, স্কোয়াশসহ অন্যান্য উচ্চমূল্যের এবং আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক ফসলের আবাদ সম্প্রসারণেও মাঠপর্যায়ে ব্যাপক কাজ চলছে। কৃষি বিভাগের মূল লক্ষ্য হলো—উপজেলার একটি ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি পড়ে না থাকে। বিশেষ করে বর্ষাকালে যেসব নিচু জমি অলস পড়ে থাকে, সেগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় এনে কৃষকদের জন্য সারা বছর ব্যাপী একটি স্থায়ী ও লাভজনক আয়ের উৎস নিশ্চিত করা।

​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে কৃষকদের ক্ষেত পরিদর্শন করছেন এবং মাটি পরীক্ষা, বালাইনাশকের সঠিক ডোজ নির্ধারণ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষকদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দিয়ে আসছেন, যা চাষিদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

​সমাপনী ও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের আভাস

​বর্তমান সময়ের বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের চরম বিরূপ প্রভাব, কৃষি উপকরণের উৎপাদন ব্যয় অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পাওয়া এবং চিরাচরিত ধান বা অন্যান্য প্রচলিত ফসলের বাজারমূল্য আশানুরূপ না হওয়ায় দেশের প্রান্তিক কৃষকরা এখন চরম সংকটের মুখোমুখি। এই ধরণের অর্থনৈতিক মন্দা ও প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে কৃষকরা এখন উচ্চমূল্যের ও স্বল্পমেয়াদী বিকল্প ফসলের দিকে ধাবিত হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: আল্লাহ সম্পর্কে যেসব কুধারণা বা নেতিবাচক চিন্তা মুমিনের ঈমান ধ্বংস করে

​কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার কৃষকদের এই আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত উদ্যোগ প্রমাণ করেছে যে, সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে যেকোনো প্রতিকূলতাকেই সফলতায় রূপ দেওয়া সম্ভব। বাজারে অফ-সিজনের তরমুজের এই চমৎকার ও আকর্ষণীয় দাম যদি আগামী দিনগুলোতেও একইভাবে বজায় থাকে, তবে পাকুন্দিয়ার এই গৌরবময় উদ্যোগ শুধু কিশোরগঞ্জ জেলাই নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন ও যুগান্তকারী সম্ভাবনার স্বর্ণালী দিগন্ত উন্মোচন করবে। অদূর ভবিষ্যতে এই সফল কৃষি মডেলটি দেশের অন্যান্য নদীবিধৌত ও উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যও একটি অত্যন্ত অনুসরণযোগ্য এবং আদর্শ সফল মডেল (Success Model) হয়ে উঠবে বলে দেশের কৃষি অর্থনীতিবিদেরা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

নিউজ সূত্র: কিশোরগঞ্জ জেলা ও পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার ডায়েরি।

Post a Comment

আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

নবীনতর পূর্বতন