আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ
দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে চরম উত্তেজনা: ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ জলচুক্তি নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তান।
সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতের জের: দিল্লির বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক সংঘাত ও যুদ্ধ ঘোষণার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিলেন পাকিস্তানি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ
দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি এবং পরমাণু অস্ত্রধারী দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বৈরি কূটনৈতিক সম্পর্ক এবার এক নজিরবিহীন ও চরম বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। কাশ্মীর সীমান্ত ও দ্বিপাক্ষিক নানাবিধ ইস্যুর পর এবার দুই দেশের মধ্যকার বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত নদীর পানি। দিল্লির পক্ষ থেকে দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ছয় দশকের পুরোনো ঐতিহাসিক 'সিন্ধু নদ জলচুক্তি' (Indus Waters Treaty) দৃঢ়ভাবে স্থগিত ঘোষণা করার পর চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ইসলামাবাদ। উদ্ভূত এই আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক সংঘাত বা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরুর এক চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব ও সরাসরি হুমকি দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে এক গভীর ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
গত শনিবার (২০ জুন ২০২৬) পাকিস্তানের প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘এআরওয়াই নিউজ’ (ARY News)-কে দেওয়া এক বিশেষ ও একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সরাসরি ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, দেশের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে পাকিস্তান কোনো প্রকার আপস করবে না এবং পানির অধিকার হরণ করা হলে তারা চূড়ান্ত সামরিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।
## ‘পানি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, হুমকিতে পড়লে আমরা অবশ্যই যুদ্ধে যাব’
টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও উসকানিমূলক ভাষায় দিল্লির বর্তমান মোদী সরকারের পানিনীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তির বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ভারতকে সতর্ক করেন।
আরও পড়ুন: বাবা দিবসে ববিতার আবেগঘন স্মৃতিচারণ
সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সরাসরি ঘোষণা করে বলেন:
"যে মুহূর্তে আমরা গভীরভাবে অনুভব করব যে আমাদের সামগ্রিক জাতীয় নিরাপত্তা হুমকিতে পড়েছে—এবং আমি অত্যন্ত স্পষ্ট করে বলতে চাই যে পানি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ—তখন আমরা ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে যাব। হ্যাঁ, আমরা অবশ্যই চূড়ান্ত যুদ্ধ করব।"
তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও দাবি করেন, ভারত যদি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত উপায়ে এবং উদ্বেগজনক গতিতে পাকিস্তানের দিকে প্রবাহিত পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করার বা নদী অববাহিকায় কৃত্রিম বাধা সৃষ্টির কোনো গোপন পদক্ষেপ গ্রহণ করে, এবং ইসলামাবাদ যদি তার সুনির্দিষ্ট টেকনিক্যাল প্রমাণ পায়, তবে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী চুপ করে বসে থাকবে না। সে ক্ষেত্রে ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অ্যাকশন বা যুদ্ধ শুরুর বিষয়টি পাকিস্তান সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী মহলে অবশ্যই বিবেচনা করা হবে।
## পাহলগাম সন্ত্রাসী হামলা এবং ভারতের কঠোর ও নজিরবিহীন পাল্টা পদক্ষেপ
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই ধরণের চরম উসকানিমূলক ও যুদ্ধংদেহী মন্তব্য মূলত গত এপ্রিল মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পাহলগামে ঘটে যাওয়া একটি ভয়াবহ ও নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে এসেছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পাহলগাম এলাকায় সীমান্তপার থেকে আসা একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী আচমকা হামলা চালায়, যার ফলে ২৬ জন নিরীহ মানুষের রক্তক্ষয়ী প্রাণহানি ঘটে। এই ঘটনার পর ভারতের অভ্যন্তরে তীব্র জনক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং নয়াদিল্লি এই হামলার পেছনে সরাসরি পাকিস্তানের মাটি থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে বলে তীব্র অভিযোগ তোলে।
এই সন্ত্রাসী হামলার কঠোর ও কৌশলগত জবাব দিতে ভারত সরকার ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ জলচুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে স্থগিত ঘোষণা করে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোরভাবে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিল্লির সাফ কথা:
আরও পড়ুন: ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের
"পাকিস্তান যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের নিজেদের সীমানার ভেতরে থাকা ভারতের স্বার্থবিরোধী সমস্ত সীমান্তপার সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, অর্থায়নের উৎস এবং লজিস্টিক অবকাঠামোগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে আন্তর্জাতিকভাবে নির্ভরযোগ্য, দৃশ্যমান ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই জলচুক্তির ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ কোনোভাবেই প্রত্যাহার করা হবে না এবং দ্বিপাক্ষিক কোনো আলোচনাও সম্ভব নয়।"
## সিন্ধু চুক্তির গুরুত্ব এবং পাকিস্তানের ব্যর্থ প্রোপাগান্ডা
১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতা ও গ্যারান্টির ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই যুগান্তকারী সিন্ধু জলচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই আন্তর্জাতিক চুক্তির সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও রূপরেখা অনুযায়ী, সিন্ধু নদী অববাহিকার সামগ্রিক পানির প্রায় ৮০ শতাংশ পানি ব্যবহার করার আইনি ও একচ্ছত্র অধিকার পেয়ে থাকে পাকিস্তান, যা মূলত তাদের বিশাল কৃষি খাতের প্রধান চালিকাশক্তি।
তবে পাকিস্তানি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ নিজের দেশের ভেতরের তীব্র অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতা আড়াল করতে সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক দায় নয়াদিল্লির ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ভারত মূলত পানিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি 'কৌশলগত যুদ্ধাস্ত্র' হিসেবে ব্যবহার করছে। একই সাথে চেনাব নদীর স্বাভাবিক পানির প্রবাহে ভারত কৃত্রিম বাধা সৃষ্টি করছে এবং চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় হাইড্রোলজিক্যাল ডেটা বা তথ্য পাকিস্তানের কাছে গোপন রাখছে।
তবে নিজের এই বিশাল ও বিস্ফোরক অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি খাজা আসিফ। উল্টো তিনি নিজেই সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে:
"অতীতের ধারাবাহিকতায় আমাদের টেকনিক্যাল প্রতিনিধি দল ভারতের বিভিন্ন চলমান ও সমাপ্ত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে প্রায় ১১৫ বার সরাসরি পরিদর্শন কাজ সম্পন্ন করেছিল। তবে সত্যি কথা বলতে, বিগত এক বছরে সীমান্তের ওপাড়ে ভারত ঠিক কী ধরনের নতুন অবকাঠামোগত উন্নয়ন বা পরিবর্তন সাধন করেছে, সে বিষয়ে বর্তমানের কোনো সুনির্দিষ্ট বা হালনাগাদ তথ্য এই মুহূর্তে আমাদের কাছে নেই।"
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই অকপট স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের তোলা ভারতের বিরুদ্ধে পানি চুরির অভিযোগের সত্যতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে এক ধাক্কায় সম্পূর্ণ দুর্বল ও ভিত্তিহীন প্রমাণ করেছে।
## পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ পানি ব্যবস্থাপনার ভয়াবহ বিপর্যয় ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি
আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ধোঁয়া তুললেও বাস্তব চিত্র বলছে, পাকিস্তানের বর্তমান তীব্র পানি সংকটের মূল কারণ ভারতের পদক্ষেপ নয়, বরং তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ পরিকাঠামোর চরম ও ঐতিহাসিক দেউলিয়াত্ব। দেশের ভেতরে তীব্র অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে পাকিস্তানের বিশাল ফসলি জমি ও কৃষি খাত এখন মারাত্মক ধ্বংসের মুখে পড়েছে। বর্তমানে পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধু ও বেলুচিস্তান প্রদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সাধারণ মানুষ এখন এক ফোঁটা বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য তীব্র হাহাকার ও অভাবের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি: ইরান কি আরও শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে?
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের সেচ বিভাগের দাপ্তরিক ও বৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশটির সেচ অবকাঠামোগুলো এখন সম্পূর্ণ কার্যকারিতা হারিয়ে চরম ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধান প্রধান সেচ ক্যানাল বা খালগুলোতে পানির যে ভয়াবহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:
উত্তর পশ্চিম প্রধান খাল (North West Canal): এই অঞ্চলের কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান এই খালে বর্তমানে সর্বোচ্চ ৬৪.১ শতাংশ পানির তীব্র ঘাটতি রেকর্ড করা হয়েছে।
রাইস ক্যানাল (Rice Canal): ধান চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ক্যানালে পানির সরবরাহ স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩৮ শতাংশ নিচে নেমে গেছে।
দাদু ক্যানাল (Dadu Canal): পাকিস্তানের সবচেয়ে সংকটাপন্ন এই দীর্ঘ সেচ খালে বর্তমানে সর্বোচ্চ ৮২ শতাংশ পর্যন্ত পানির ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলকে মরুভূমির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
## একনজরে সিন্ধু জলচুক্তি বিতর্ক ও ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতির খতিয়ান
পাঠকদের সুবিধার্থে এবং দক্ষিণ এশিয়ার এই চলমান পানি সংকট ও যুদ্ধের হুমকির মূল বিষয়গুলো একনজরে সহজে অনুধাবন করার জন্য নিচে একটি বিশেষ আধুনিক তথ্য সারণী প্রদান করা হলো:
| সংকটের প্রধান খাত ও বিষয়সমূহ | বর্তমান পরিস্থিতি ও দাপ্তরিক তথ্যাবলী |
| হুমকিদাতা ও প্রধান চরিত্র | পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ (ARY নিউজ সাক্ষাৎকারে)। |
| মূল চুক্তির নাম ও প্রেক্ষাপট | ১৯৬০ সালের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ জলচুক্তি (বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায়)। |
| ভারতের স্থগিতাদেশের কারণ | পাহলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারতের কঠোর অবস্থান। |
| ভারতের মূল শর্ত | সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ নির্মূল করতে হবে। |
| পাকিস্তানের ভেতরের সংকট | সিন্ধু ও বেলুচিস্তানের ১/৩ ভাগ মানুষ চরম পানিশূন্যতা ও দুর্ভিক্ষের মুখে। |
| সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পাকিস্তানি খাল | দাদু ক্যানাল; যেখানে পানির ঘাটতি রেকর্ড করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৮২%। |
## সুক্কুর ব্যারেজের বিপর্যয় এবং বিশেষজ্ঞদের অভিমত
দক্ষিণ পাকিস্তানের সিন্ধু অববাহিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সুক্কুর ব্যারেজে (Sukkur Barrage) পানির স্তর বর্তমানে আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে শুষ্ক বালুচরে পরিণত হয়েছে। এর ফলে সিন্ধু প্রদেশের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কৃষক সংগঠনগুলো দেশের অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ ও অপূরণীয় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন। প্রদেশের অভ্যন্তরীণ পানি বণ্টন ও কোটা নিয়ে পাকিস্তানের চার প্রদেশের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক, আঞ্চলিক ও জাতিগত বিরোধ তৈরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক নদী বিশেষজ্ঞ ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান সরকার নিজেদের অভ্যন্তরীণ পানি বণ্টনের এই তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী গৃহবিবাদ সমাধান করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। আর নিজেদের এই চরম প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ঢাকতেই পাকিস্তানের বর্তমান সরকার সুকৌশলে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও পানি আগ্রাসনের কাল্পনিক জিগির তুলে দেশের সাধারণ মানুষের ধর্মীয় ও আবেগীয় অনুভূতিকে উসকে দেওয়ার সস্তা চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ও ভূরাজনীতির এমন প্রতিটি বিশেষ ও এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদন সবার আগে প্রফেশনাল ও শতভাগ ইউনিক উপায়ে আপনাদের সামনে নিয়মিত তুলে ধরতে ‘দিগন্ত বাংলা নিউজ’ পোর্টাল সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।