সারাদেশ ডেস্ক: শামীম হোসাইন / দিগন্ত বাংলা নিউজ
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল ও শোকাবহ কর্মসূচি সুশৃঙ্খল ও নিস্পৃহ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে।
মুসলিম উম্মাহর অন্তহীন শোক ও ত্যাগের মহিমান্বিত স্মারক: হিজরি ১৪৪৮ সনের পবিত্র ১০ মহররম দেশজুড়ে পালিত, সত্য ও ন্যায়ের আদর্শে উদ্বুদ্ধ ধর্মপ্রাণ মুসলমান সমাজ
সমগ্র মুসলিম বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও আজ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, পবিত্র ও গভীর শোকাবহ পরিবেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র আশুরা। আজ শুক্রবার, ১০ মহররম ১৪৪৮ হিজরি (২৬ জুন ২০২৬)। ইসলামের ইতিহাসে এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে এই দিনটি একাধারে যেমন অসীম রহমত, ক্ষমা ও সৃষ্টির আদি-অন্তের সুগভীর রহস্যে ঘেরা, ঠিক তেমনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করার এক চরম আত্মত্যাগের মহিমান্বিত স্মারক। মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, পুণ্য অর্জন ও পূর্বের পাপের ক্ষমা পাওয়ার পরম আশায় দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম সম্প্রদায় পরম ভক্তিভরে নফল রোজা পালন, বিশেষ নফল নামাজ আদায়, অকাতরে দান-খয়রাত, কোরআনখানি এবং দিনভর জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে এই পবিত্র দিনটি অতিবাহিত করছেন।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি প্রান্তের মসজিদ, মাদরাসা ও খানকাহগুলোতে ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি আজ লক্ষ করার মতো। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনটি মানবজাতিকে পরম শিক্ষা দেয় যে, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও সত্য, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে হবে। কোনো প্রকার লোভ-লালসা বা জালিমের অত্যাচারী শক্তির সামনে মাথা নত না করাই হলো আশুরার মূলবাণী।
## কারবালার রক্তঝরা ইতিহাস: ফোরাতের মরু প্রান্তরে ইমাম হুসাইনের অমর আত্মত্যাগ ও নৈতিক প্রতিরোধ
ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ও রক্তক্ষয়ী অধ্যায়টি রচিত হয়েছিল হিজরি ৬১ সনের এই ১০ মহররমের দিনে। ইরাকের ফোরাত নদীর তীরবর্তী তপ্ত বালুকা ময়দান কারবালায় আল্লাহর রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অত্যন্ত প্রিয় দৌহিত্র, জান্নাতের যুবকদের নেতা হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) স্বৈরাচারী শাসক ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে অত্যন্ত নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে শাহাদাত বরণ করেন। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে, খেলাফতের মূল আদর্শকে টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে অটল থেকে তপ্ত রোদের মাঝে পিপাসার্ত অবস্থায় ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের শিশু ও নারীসহ অর্ধশতাধিক বিশ্বস্ত সফরসঙ্গী ইয়াজিদের বিশাল ও সুসজ্জিত বাহিনীর বিরুদ্ধে আমৃত্যু সংগ্রাম চালিয়ে যান।
আরও পড়ুন: নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সাজানোর ঘোষণা কিম জং উনের
ইয়াজিদ বাহিনীর এই বর্বর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড মানব ইতিহাসের পাতায় অন্যায়, জুলুম, শাসনতান্ত্রিক স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক চিরন্তন ও শাশ্বত প্রতিরোধের উজ্জ্বলতম দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে। কারবালার এই রক্তক্ষয়ী ট্র্যাজেডি প্রতিটি যুগের মানুষকে এই শিক্ষাই দিয়ে আসছে যে, সাময়িকভাবে ক্ষমতার দাপটে অন্যায়ের জয় হলেও, ইতিহাসের দীর্ঘমেয়াদি বিচারে সত্য ও আদর্শের জয় সুনিশ্চিত। ইমাম হুসাইন (রা.) তাঁর জীবন উৎসর্গ করে গেছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানতি করার কুৎসিত দৃষ্টান্ত রেখে যাননি। এই নৈতিক প্রতিরোধই আজ বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত মানুষের প্রধানতম অনুপ্রেরণা।
## কারবালা ছাড়িয়ে আশুরার সুপ্রাচীন ইতিহাস: সৃষ্টির আদি-অন্তের অলৌকিক সমাহার
ইসলামিক চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, পবিত্র আশুরার মহান গুরুত্ব ও সুগভীর তাৎপর্য কেবল কারবালার ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডির মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং ইসলামের সৃষ্টিতত্ত্ব ও নবী-রাসুলদের ইতিহাসের সাথে এই দিনের সম্পর্ক সুপ্রাচীন। সুনিপুণ ইসলামী ইতিহাস ও হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, এই ১০ মহররমের পবিত্র দিনেই মহান আল্লাহ তা’আলা মানবজাতির আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করে এই দুনিয়াতে প্রেরণ করেছিলেন এবং এই দিনেই তাঁর তাওবা কবুল করা হয়েছিল।
একইভাবে, নমরুদের জঘন্য ও ভয়াবহ আগুনের কুণ্ডলীতে নিক্ষেপ করার পরও আল্লাহর অসীম কুদরতে সম্পূর্ণ অক্ষত ও অলৌকিকভাবে অক্ষুণ্ণ হয়ে ফিরে এসেছিলেন মুসলিম জাতির পিতা হহজরত ইব্রাহিম (আ.)। শুধু তাই নয়, বনি ইসরাইল জাতিকে অত্যাচারী ফেরাউনের কবল থেকে মুক্ত করতে লোহিত সাগর বা নীল নদে অলৌকিক রাস্তা তৈরি করে দিয়েছিলেন আল্লাহ এবং এই ১০ মহররমের দিনেই সসৈন্যে নীল নদের তলদেশে ডুবে করুণভাবে মৃত্যু হয়েছিল মহাপরাক্রমশালী জালিম শাসক ফেরাউনের।
এছাড়াও, আল্লাহর বিশেষ রহমতে তিমি মাছের অন্ধকার পেট থেকে দীর্ঘ ৪১ দিন পর সম্পূর্ণ নিরাপদে ও সুস্থ অবস্থায় মুক্ত হয়ে ফিরে এসেছিলেন হযরত ইউনূস (আ.)। আর ইসলামের সবচেয়ে বড় আকীদা ও ভবিষ্যৎ সমীকরণ অনুযায়ী, মহান আল্লাহর চূড়ান্ত নির্দেশে মহাপ্রলয়ের বাশিঁ হাতে অপেক্ষারত ফেরেশতা হজরত ইসরাফিল (আ.)-এর প্রথম ফুৎকারে এই সমগ্র মহাবিশ্ব ধ্বংস হবে অর্থাৎ কেয়ামত বা মহাপ্রলয় সংঘটিত হবে এই ১০ মহররমের পবিত্র জুমার দিনে।
## রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বাণী: ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের উদাত্ত আহ্বান
পবিত্র আশুরার এই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বকে সামনে রেখে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে পৃথক পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, কারবালার শোকাবহ ঘটনা আমাদের অন্যায় ও অন্যায্যতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস জোগায়। তিনি পবিত্র আশুরার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার তাগিদ দেন।
অন্যদিকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বিশেষ বাণীতে দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন:
"পবিত্র আশুরার মহান ও শাশ্বত শিক্ষাকে আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ করতে হবে। কারবালার মূল শিক্ষাই হলো স্বৈরাচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম। আসুন, আমরা সবাই মিলে এই আদর্শকে বুকে ধারণ করে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, মানবিক, শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক এবং সমৃদ্ধশালী আধুনিক নতুন বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।"
পবিত্র এই দিবসটি উপলক্ষে আজ সমগ্র বাংলাদেশে সাধারণ ও সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের প্রধান প্রধান রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যেমন বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং দেশের সকল শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলো দিনটির গভীর তাৎপর্য ও আধ্যাত্মিক দিক তুলে ধরে দিনভর বিশেষ অনুষ্ঠানমালা, হামদ-নাত ও ইসলামী আলোচনা সভা প্রচার করছে।
## ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিশেষ উদ্যোগ: বায়তুল মোকাররমে ধর্মীয় আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ বারান্দায় ‘আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক একটি বিশাল ও প্রফেশনাল আলোচনা সভা এবং বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্মানিত মহাপরিচালক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) আ. ছালাম খান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইসলামের মূল সৌন্দর্য হলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। আশুরা আমাদের শিখায় কীভাবে জীবন দিয়েও ঈমান ও সত্যকে রক্ষা করতে হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে অত্যন্ত সুগর্ভ ও তাত্ত্বিক বক্তব্য পেশ করেন ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব আলহাজ মাওলানা মো. মহিউদ্দিন। এছাড়াও বিশেষ আলোচক হিসেবে আশুরার সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যগত ইতিহাসের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের সম্মানিত পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ। আলোচনা সভা শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব শান্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত ও অশ্রুসজল দোয়া করা হয়।
## ডিএমপি’র নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়: তাজিয়া মিছিলে ডিএমপি কমিশনারের একঝাঁক কড়া নির্দেশনা
রাজধানী ঢাকা মহানগরীতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও শোকাবহ পরিবেশের মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল বের করা হয়েছে। পুরান ঢাকার হোসনি দালান ইমামবারা, বড় কাটরা, ছোট কাটরা এবং মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ কালো পোশাক পরিধান করে ‘হায় হুসাইন, হায় হুসাইন’ মাতম ধ্বনিতে মিছিল নিয়ে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করছেন। এই তাজিয়া মিছিল এবং শোকসভাগুলোকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে মুক্ত রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP) এক নিশ্ছিদ্র ও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
আরও পড়ুন: মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন আটকে চরম সংকট, ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা জমিয়তের
সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কমান্ডো ফোর্স ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তাজিয়া মিছিলের পবিত্রতা রক্ষার্থে ডিএমপি কমিশনারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কড়া ও বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা নিচে একটি বিশেষ সারণীর মাধ্যমে স্পষ্ট করা হলো।
## একনজরে পবিত্র আশুরার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ডিএমপি’র প্রশাসনিক নির্দেশনাবলী
পাঠকদের সুবিধার্থে এবং পবিত্র আশুরার ধর্মীয় প্রেক্ষাপটসহ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক জারি করা জরুরি জননিরাপত্তা নির্দেশনাসমূহ একনজরে সহজে অনুধাবন করার জন্য নিচে একটি বিশেষ আধুনিক তথ্য সারণী প্রদান করা হলো:
| আশুরার প্রধান ঐতিহাসিক উপাদানসমূহ | ডিএমপি কমিশনারের সুনির্দিষ্ট ও কড়া নির্দেশনাবলী ( Processions Rules) |
| ১. কারবালা ট্র্যাজেডি (৬১ হিজরি) | তাজিয়া মিছিলে ব্যবহৃত ধর্মীয় নিশানের উচ্চতা কোনোভাবেই ১২ ফুটের বেশি হওয়া যাবে না। |
| ২. হযরত আদম (আ.)-এর আগমন | মিছিলে কোনো প্রকার ধারালো ধাতব বস্তু, ছুরি, চাকু, লাঠি, ছোরা, তরবারি বা বর্শা বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। |
| ৩. হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অলৌকিক মুক্তি | যেকোনো ধরণের দাহ্য পদার্থ, অ্যাসিড, ব্যাগ, বড় পোটলা বা সুটকেস নিয়ে মিছিলে প্রবেশ করা যাবে না। |
| ৪. ফেরাউনের সলিল সমাধি (নীল নদ) | উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী যন্ত্র, পিএ সিস্টেম বা বিকট শব্দের কোনো সাউন্ড বক্স ব্যবহার করা যাবে না। |
| ৫. হযরত ইউনূস (আ.)-এর উদ্ধার | শোকের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষার্থে কোনো প্রকার অনৈসলামিক ঢাক-ঢোল বা বাদ্যযন্ত্র বাজানো যাবে না। |
| ৬. কেয়ামত বা মহাপ্রলয়ের দিন | মিছিলে এবং তার আশেপাশে আতশবাজি ফোটানো ও যেকোনো ধরনের পটকা ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। |
## যানজট এড়াতে ট্রাফিক ডাইভারশন: চালক ও সাধারণ জনগণকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ আরও জানিয়েছেন যে, আজ সকাল ১০টা থেকে শুরু করে তাজিয়া মিছিলের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি না হওয়া পর্যন্ত রাজধানীর নির্ধারিত রুটগুলোতে বিশেষ ট্রাফিক ডাইভারশন (Traffic Diversion) মেনে চলা হবে। মিছিলে অংশগ্রহণকারী লাখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ নগরবাসীকে তীব্র ও যন্ত্রণাদায়ক যানজটের কবল থেকে রক্ষা করতে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের শত শত সদস্য রাজধানীর প্রতিটি মোড়ে মোড়ে নিয়োজিত থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
পবিত্র আশুরার এই সুমহান আত্মত্যাগ যেন আমাদের ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনের সকল অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়—আজকের এই দিনে দিগন্ত বাংলা নিউজ পোর্টারের পক্ষ থেকে এটাই আমাদের মূল প্রত্যাশা।

খুব সুন্দর একটি নিউজ
উত্তরমুছুনThank You
উত্তরমুছুনএকটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কোনো উসকানিমূলক বা অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।